মেহেরপুরে নির্মাণ সামগ্রীর দখলে সড়ক ও ফুটপাত

ভোগান্তিতে পথচারীরা : ব্যবস্থা না নিয়ে এ অন্যায়ের স্থায়িত্ব দিচ্ছে পৌরসভা

মেহেরপুর অফিস: মেহেরপুর পৌরসভার বিভিন্ন সড়কের ওপর ফেলে রাখা হচ্ছে নির্মাণ সামগ্রী। কোথাও কোথাও সড়ক দখল করেই চলছে নির্মাণ কাজ। এতে সংকুচিত হয়ে উঠছে সড়কগুলো। সৃষ্টি হচ্ছে যানজট; ঘটছে দুর্ঘটনা।

স্থানীয়রা বলছেন, সড়কে যত্রতত্রভাবে বালু, ইট ও পাথরের মতো নির্মাণ সামগ্রী ফেলে রাখার কারণে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাদের। একটু রোদ হলেই নির্মাণ সামগ্রী থেকে ধুলো উড়ছে। নির্মাণ সামগ্রীর পাশ দিয়ে যানবাহন চলচলের সময় ধুলোবালি পড়ছে চোখে মুখে। পৌরসভার পক্ষ থেকে সড়কে ইট, বালু না রাখার জন্য নির্দেশনা দেয়া হলেও এ নির্দেশ মানার বালাই নেই কোথাও। শহর ঘুরে দেখা  গেছে ছোট-বড় প্রায় সব সড়কের কোথাও না কোথাও ফেলে রাখা হয়েছে নির্মাণ সামগ্রী। একটু বাতাস উঠলেই ধুলো-বালুর নিচে ঢাকা পড়ছে চারপাশ। কোথাও কোথাও সড়কের অর্ধেকের বেশি জায়গা দখল করে নির্মাণ সামগ্রী রেখে বহুতল ভবন গড়ে তোলার কাজ চলছে। এতে যানজট ও দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন পথচারীরা। সড়কের ওপর এভাবে কাজ করতে গিয়ে শ্রমিকরাও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এলাকাবাসী ও পথচারীরা অভিযোগ করে বলেন, সড়ক দখল করে নির্মাণ সামগ্রী ফেলে রাখার কারণে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এছাড়া যত্রতত্র নির্মাণ সামগ্রী পড়ে থাকায় দূষিত হচ্ছে নগরীর পরিবেশ, নষ্ট হচ্ছে সৌন্দর্য। এলাকাবাসীরা আরও জানায়, কোনো কোনো স্থানে মাসের পর মাস পড়ে থাকছে নির্মাণ সামগ্রী। কম-বেশি গোটা শহরের একই চিত্র। এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়ার কথা থাকলেও কেনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না, তা সকলের অজানা। পৌর এলাকার বাসিন্দা কবির হোসেন বলেন, পৌরসভার মতো জায়গায় বাস করেও যদি আমরা কারও ব্যক্তিগত কাজের জন্য ভোগান্তির শিকার হই তাহলে বলবো অবশ্যই আমাদের সঙ্গে অন্যায় করা হচ্ছে। সড়ক দখলকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে এ অন্যায়ের স্থায়িত্ব দিচ্ছে পৌরসভা।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে পৌর কাউন্সিলর নুরুল আশরাফ রাজিব বলেন, নাগরিক অসচেতনতার কারণে শহর জুড়ে এ ধরনের পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। পৌরসভার মাধ্যমে সড়কে নির্মাণ সামগ্রী না রাখতে বারবার মাইকিং করা হলেও অনেকেই তা মানছেন না। এ কারণে সাময়িক কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। তবে তারা সাধ্যমতো সড়কমুক্ত রাখার চেষ্টা করছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

 

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More