চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা নির্বাচনে সাত প্রার্থীর মেয়র পদে হলফনামায় কার কতো আয়!

স্টাফ রিপোর্টার: চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে সাত প্রার্থীর মধ্যে তিন প্রার্থীর নামে আদালতে মামলা রয়েছে। তবে, ওই মামলায় তিনজনই জামিনে মুক্ত রয়েছেন। প্রার্থীদের হলফনামা থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। আগামী ২৮ ডিসেম্বর সোমবার সকাল ৮ টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে মেয়র পদে চুয়াডাঙ্গা মল্লিকপাড়ার এসএসসি পাস জাহাঙ্গীর আলম মালিক খোকন (নৌকা) ও একইপাড়ার বিএসএস-এলএলবি পাস সৈয়দ ফারুক উদ্দিন আহম্মেদ (জগ),  বেলগাছির এইচএসসি পাস সিরাজুল ইসলাম মনি (ধানের শীষ) ও একই এলাকার এম.এ পাস তানভীর আহমেদ মাসরিকী (কম্পিউটার), ঝিনাইদহ বাসস্ট্যান্ডপাড়ার এইচএসসি পাস মজিবুল হক মালিক মজু (মোবাইলফোন), আরামপাড়ার এমএসএস-এলএলবি পাস মনিবুল হাসান পলাশ (নারিকেল গাছ) এবং বাগানপাড়ার ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার (ইলেকট্রিক) পাশ তুষার ইমরান (হাতপাখা) প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।

নির্বাচনী হলফনামা প্রার্থীরা নির্বাচন কমিশনের কাছে যেসব তথ্য লিখিতভাবে জমা দিয়েছেন সেইসব তথ্য থেকে জানা গেছে, জাহাঙ্গীর আলম মালিকের কৃষি খাতে আয় ৭৫ হাজার টাকা, ব্যবসা খাতে আয় ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা, অন্যান্য খাতের আয় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা, ব্যাংকে জমাকৃত টাকা ১ লাখ ৯৭ হাজার ৯৮০ টাকা, ৮ ভরি স্বর্ণ, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ১ লাখ ২০ হাজার টাকা, আসবাবপত্র ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা, কৃষি জমি রয়েছে ১১ বিঘা, অকৃষি জমি রয়েছে শূণ্য দশমিক ৫ একর এবং ২য় তলা পাঁকা বাড়ি রয়েছে।

সিরাজুল ইসলাম মনি’র নামে চীফ জুডিশিয়অল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা চলমান রয়েছে এবং অপর একটি মামলায় খালাসপ্রাপ্ত হয়েছেন। তার ব্যাংকে জমাকৃত টাকার পরিমাণ ৪ লাখ ৩৬ হাজার টাকা, ইলেকট্রনিক সামগ্রী রয়েছে ৭০ হাজার টাকা, আসবাবপত্র রয়েছে ৭৫ হাজার টাকা, কৃষি জমি রয়েছে ৭ বিঘা, অকৃষি জমি রয়েছে দশমিক শূন্য ৫ শতক, পুরাতন মোটরসাইকেল ৬০ হাজার টাকা এবং কৃষি ব্যাংকে লোন রয়েছে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

মজিবুল হক মালিক মজু’র নামে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৩টি মামলা চলমান রয়েছে। তার ব্যবসা থেকে আয় ৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা, ব্যাংকে জমাকৃত ৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা, ইলেকট্রনিক সামগ্রী রয়েছে ২৫ হাজার টাকা এবং আসবাবপত্র রয়েছে ২৫ হাজার টাকা ।

তুষার ইমরানের কোচিং ব্যবসা থেকে আয় ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা, নগদ রয়েছে ৫ হাজার টাকা, ব্যাংকে জমাকৃত ৫০ হাজার টাকা, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ১ লাখ টাকা, আসবাবপত্র্র ৫০ হাজার টাকা এবং ১ লাখ টাকা মূল্যের একটি মোটরসাইকেল রয়েছে।

মনিবুল হাসান পলাশের আইন পেশা থেকে আয় ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা, নগদ ২০ হাজার টাকা, ব্যাংকে জমা ৫০ হাজার টাকা, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা, আসবাবপত্র ১ লাখ টাকা, ১ লাখ টাকার মোটরসাইকেল এবং ৭ ভরি স্বর্ণ রয়েছে।

সৈয়দ ফারুক উদ্দিন আহম্মেদের আইন পেশা থেকে আয় ১ লাখ ৬৮ হাজার টাকা, নগদ ৩০ হাজার টাকা, ব্যাংকে জমা ৩৫ হাজার ১৯০ টাকা, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ৫০ হাজার টাকা এবং অকৃষি জমি রয়েছে দশমিক শূণ্য ৩৫৭৫ শতক।

তানভীর আহমেদ মাসরিকী’র নামে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা রয়েছে। তার ব্যবসা থেকে আয় ১ লাখ টাকা, অন্যান্য আয় ১ লাখ টাকা, নগদ ২০ হাজার টাকা, ব্যাংকে জমা ২ হাজার টাকা, ইলেকট্রনিক সামগ্রী ৫০ হাজার টাকা, আসবাবপত্র ৫০ হাজার টাকা, অকৃষি জমি ১-৭৫ কাঠা এবং ১ তলা বাড়ি রয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন অফিসার তারেক আহমেমদ জানান, হলফনামায় কেউ যদি অসত্য তথ্য দেয় এবং নির্বাচিত হন সেক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন আইনগত পদক্ষেপ নিতে পারবে।

 

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More