চুয়াডাঙ্গার মর্তুজাপুরে ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজে চলাচল, ৫৭ বছরেও নেয়া হয়নি সংস্কারের ব্যবস্থা

বদরগঞ্জ প্রতিনিধি: চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের বদরগঞ্জ কুতুবপুর সড়কের আলিয়ারপুর নবগঙ্গা নদীর ওপর ব্রিজটি বর্তমানে খুবই দুর্বল হয়ে পড়েছে। ব্রিজের ওপরের দুপাশে রেলিং বালু পাথর ভেঙে পড়া, পাকা পাটাতনসহ বিভিন্ন স্থান ভেঙে দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পড়ে থাকলেও প্রায় ৫৭ বছরের পুরাতন ব্রিজটি নেয়া হয়নি কোনো মেরামত ও সংস্কার করণীয় ব্যবস্থা। বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা ঘটার আগেই যেন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি পড়ে বা ব্যবস্থা নেয় এমনই দাবি জানান এলাকাবাসী।

সরেজমিনে জানা গেছে, পাকিস্তান আমলে দিকে চুয়াডাঙ্গা জেলার বদরগঞ্জ আলিয়ারপুর মর্তুজাপুর নবগঙ্গা নদীর ওপর বাঁশের সাঁকো দিয়ে আলমডাঙ্গা, ঝিনাইদহ হরিণাকু-ু এলাকার হাজার হাজার মানুষ ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করে আসছিলেন। সেই সময় ব্যবসা বাণিজ্যের অন্যতম প্রাণ কেন্দ্র ছিলো চুয়াডাঙ্গার বদরগঞ্জ বাজার। হাটের দিন ছাড়াও নিত্যপ্রয়োজনে আসে হাজারো মানুষ এই বদরগঞ্জে। মানুষ যান চলাচল করা ও ইউনিয়ন বাজার হাট উন্নয়ন করার জন্য ১৯৬৫ সনের সময়ে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের দ্বিতীয় নিবার্চিত চেয়ারম্যান আলিয়ারপুর গ্রামের মরহুম আব্দুল আজিজ মর্তুজাপুর নবগঙ্গা নদীর ওপর এ বেলি ব্রিজটি নির্মিত করেন। আনমানিক ১৯৯০ সনের দিকে ব্রিজটির কিছু অংশ সংস্কার মেরামত করা হলেও ব্রিজটির চারটি পেলার ওপর দাঁড়িয়ে থাকা ব্রিজটির দুপাশের রেলিং, নিচের ছাদ ও ৫৭ বছরের নির্মিত চারটি পেলারের অংশ ধংŸস ধরাসহ পাটাতন দেয়াল ফাটন ধরে পড়ছে। খুবই দুর্বল হয়ে গেছে এই চুয়াডাঙ্গার আলিয়ারপুর মর্তুজাপুর বেলি ব্রিজটি। ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজটির ওপর দিয়ে প্রতিদিন ২৪ থেকে ২০ টন মালামাল ভর্তি বাহন ট্রাক যাওয়া আসার সময় বড় ধরনের কাপন সৃষ্টি হয় বলে জানা গেছে। বর্তমানে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই ব্রিজটির ওপর দিয়ে চলাচল করছে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা, ঝিনাইদহের হরিণাকু-ু এলাকার অনেক ছোট বড় যানবাহনসহ দুপ্রান্তে সাধারণ মানুষ। অনাকাঙ্গিত বড় ধরণের দুর্ঘটনা ঘটার আগেই ব্রিজটি সংস্কার অথবা পুনঃনির্মাণ করা একান্ত অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। যে কোনো মুহূর্তে ঘটতে পারে বড় ধরনের কোন দুর্ঘটনা।

এ বিষয়ে কুতুবপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আলী আহমেদ হাসানুজ্জামান মানিকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রতিবেদকে জানান টেন্ডার পেলে ব্রিজটি মেরামত করা হবে।

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More