বিশ্বকাপ আয়োজনে প্রায় ৫০০ শ্রমিক মারা গেছে : স্বীকার করলো কাতার

মাথাভাঙ্গা মনিটর: কাতার ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজনের স্বত্ত্ব পায় ২০১০ সালে। ফিফা বিশ্বকাপের সবচেয়ে বেশি প্রায় ২০০ বিলিয়ন ইউরো খরচ করে ১২ বছর ধরে অবকাঠামো নির্মাণ করে মরুর বুকে ফুটবল আয়োজন করছে দেশটি। অল্প সময়ে স্টেডিয়াম, রাস্ত-ঘাট, আবাসন নির্মাণ করায় দেশটিতে প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ শ্রমিক মারা গেছেন বলে স্বীকার করেছেন কাতারের বিশ্বকাপ আয়োজন কমিটির প্রধান হাসান আল থাওয়াদি।

এক সাক্ষাৎকারে সাংবাদিক পিয়ার্স মরগানকে বিশ্বকাপ আয়োজনের দায়িত্বে থাকা থাওয়াদি বলেছেন, ‘শ্রমিক মৃত্যুর বিষয়ে সরকারি যে হিসাব দেয়া হয়েছে সংখ্যাটা তার চেয়ে বেশি। বিশ্বকাপ আয়োজনে যারা মারা গেছেন তাদের অধিকাংশ অভিবাসী এবং সংখ্যাটা ৪০০-৫০০ জনের মতো। যদিও সংখ্যা নিয়ে আমি পুরোপুরি নিশ্চিত নই এবং মনে করি যে, প্রতিটি মৃত্যুই ক্ষতিপূরণের অযোগ্য।’ এর আগে সংবাদ মাধ্যম দাবি করে যে, কাতারে বিশ্বকাপ বাস্তবায়ন করতে শ্রম আইন লঙ্ঘন করা হয়েছে। তাদের অধিক সময় ধরে কাজ করতে বাধ্য করা হয়েছে। ঠিক মতো থাকা-খাওয়ার সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়নি। কর্মস্থল ও কর্মস্থলের বাইরে মিলিয়ে কাতারে বিশ্বকাপ আয়োজন সংশ্লিষ্ট প্রায় সাড়ে ছয় হাজার কর্মী মারা গেছেন। তবে সংখ্যাটি সত্য নয় দাবি করে কাতার সরকারিভাবে জানিয়েছিল যে, কাতারে বিশ্বকাপ অবকাঠামো নির্মানে প্রাণ হারানো শ্রমিকের সংখ্যা ৪০। এর মধ্যে ৩৭ জন কর্মস্থলের বাইরে মারা গেছেন। তিনজন নিহত হয়েছেন নির্মাণ কাজে অংশ নেয়া অবস্থায়।

এদিকে বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার বেশ ক’দিন আগে থেকে কাতারের রাজধানী দোহা থেকে শ্রমিক হঠাতে শুরু করে দেশটির প্রশাসন। কাতারে বিশ্বকাপ দেখতে আসা দর্শকদের আবাসন সমস্যা দূর করতে ও জনসমাগম কমাতে এই ব্যবস্থা নেয়া হয়। সংবাদ মাধ্যম জানায়, এশিয়া ও আফ্রিকা থেকে যাওয়া শ্রমিকরা দাবি করেছেন, তাদের কোন নোটিশ ছাড়াই এলাকা ছাড়তে বলা হয়েছে। কেউ কেউ বলেন, নোটিশ দিলেও তা ছিল অতি অল্প সময়।

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More