ঈদের আগেই ঘর পাচ্ছেন ৩৩ হাজার পরিবার

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপহার হস্তান্তর করবেন কাল

স্টাফ রিপোর্টার: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মানবিক কর্মসূচি বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রকল্প আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় তৃতীয় ধাপে আরও ৩২ হাজার ৯০৪টি বাড়ি পাচ্ছেন গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবার। আগামীকাল মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে দেশের চারটি উলজেলায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব মানুষের মাঝে উপহারের বাড়িসহ ঘর হস্তান্তর করবেন। এতে এ পর্যায়ে প্রায় দেড় লাখেরও বেশি মানুষ ঈদের আগে উপহারের ঘরে উঠতে পারবেন। আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের ১ লাখ ১৭ হাজার ৩২৯টি বাড়ি দেওয়া হয়েছে। আগের ঘরগুলোর তুলনায় তৃতীয় ধাপের এসব বাড়ির কাঠামোতে বেশ পরিবর্তন আনা হয়েছে। বাড়ানো হয়েছে বাজেট এবং নির্মাণ খরচও। পর্যায়ক্রমে মোট ৯ লাখ গৃহহীন পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর এ প্রকল্পের ঘর উপহার দেয়া হবে। গতকাল রোববার বিকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান। এছাড়া চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর ও ঝিনাইদহের জেলা উপজেলা পর্যায়েও সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার কাইচাইল ইউনিয়নের পোড়াদিয়া বালিয়া আশ্রয়ণ প্রকল্প, বরগুনা সদর উপজেলার গৌরিচন্না ইউনিয়নের খাজুরতলা আশ্রয়ণ প্রকল্প, সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার খোকশাবাড়ী ইউনিয়নের খোকশাবাড়ী আশ্রয়ণ প্রকল্প এবং চট্টগ্রামের আনোয়ারার বারখাইন ইউনিয়নের হাজিগাঁও আশ্রয়ণ প্রকল্পে সরাসরি গণভবন থেকে যুক্ত হবেন। তোফাজ্জল হোসেন মিয়া জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুজিববর্ষ উপলক্ষে ঘোষণা দিয়েছেন যে, বাংলাদেশের কোনো মানুষ যাতে ভূমিহীন গৃহহীন না থাকে। সেজন্য তিনি দুই শতক জমির ওপর দুই রুম বিশিষ্ট একটি ঘর উপহার দিচ্ছেন। এসব ঘরের ডিজাইন প্রধানমন্ত্রী নিজেই প্রণয়ন করেছেন। তিনি বলেন, প্রথম পর্যায়ে ২০২১ সালের ২৩ জানুয়ারি ৬০ হাজার ১৯১টি ঘর, ২০ জুন ৫৩ হাজার ৩০০টি ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ে নির্মিত মোট ঘরের সংখ্যা ১ লাখ ১৭ হাজার ৩২৯টি। তৃতীয় পর্যায়ে নির্মাণাধীন একক ঘরের সংখ্যা ৬৫ হাজার ৬৭৪টি। এর মধ্যে ৩২ হাজার ৯০৪টি ঘর হস্তান্তর হচ্ছে আগামী কাল মঙ্গলবার। সিনিয়র সচিব আরও বলেন, যে ঘর দেওয়া হচ্ছে এগুলো স্বামী-স্ত্রীর যৌথ নামে দেয়া হচ্ছে। যার স্বামী নেই সেক্ষেত্রে স্ত্রীর নামে দেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী যে ৩৩ হাজার ঘর হস্তান্তর করবেন তাতে প্রায় দেড় লাখ মানুষ যাদের একটি ঠিকানা ছিলো না, দাঁড়ানোর জায়গা ছিলো না, তারা একদিনে আশ্রয় পাবেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন) মো. আহসান কিবরিয়া সিদ্দিকি, আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর প্রকল্প পরিচালক আবু ছালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস খান (যুগ্ম সচিব) প্রমুখ।
জানা গেছে, মুজিববর্ষ উপলক্ষে একটি পরিবারও গৃহহীন ও ভূমিহীন থাকবে না- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এমন ঘোষণার পর থেকে যাদের নিজস্ব জমি নেই, ঘর নেই তাদের জমি ও ঘর দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ অধীনে এই বাড়ি নির্মাণ করা হচ্ছে। এসব ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে সরকারি খাস জায়গা কিংবা দখল হওয়া জায়গা দখলমুক্ত করে। ইতোমধ্যে দেশের আট বিভাগে বিপুল পরিমাণ বেদখল হওয়া সরকারি খাসজমি উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত এই জমির মূল্য প্রায় ২ হাজার ৯৬৭ কোটি টাকা। কয়েকটি আশ্রয়ণ প্রকল্প ঘুরে দেখা গেছে, ঘরগুলো বেশ মজবুতভাবে নির্মাণ করা হচ্ছে। ঘরসহ বাড়ি যাদের দেওয়া হবে, আগেই তাদের বলে দেওয়া হয়েছে। এতে ঘরগুলো সঠিক তদারকির সুযোগ পাচ্ছেন ভূমিহীনরা।
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার হিসেবে জমিসহ গৃহ পাচ্ছেন ৯১টি পরিবার। গতকাল রোববার প্রেস বিফ্রিংএ বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম খান। অনুষ্ঠানে প্রেসব্রিফিং এ আরও জানানো হয় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আজন্ম লালিত স্বপ্ন ছিলো বাংলার গরিব-দুঃখী নিঃস্ব মানুষের মুখে হাসি ফোটানো। এ লক্ষ্য পূরণে তিনি অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ জীবন ধারণের মৌলিক উপকরণের ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণের বিষয়টি সংবিধানের ১৫ (ক) অনুচ্ছেদে অন্তর্ভুক্ত করেন। এরই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৭ সাল হতে অসহায়, ছিন্নমূল, ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করেন। তার এই কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ১৯৯৭ সালে শুরু হয় আশ্রয়ণ প্রকল্প। এই আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার পুনর্বাসন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। মুজিববর্ষে ‘বাংলাদেশেরর একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না’ প্রধানমন্ত্রীর এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে দেশের সকল ভূমিহীন ও গৃহীন মানুষের বাসস্থান নিশ্চিতকল্পে একক গৃহনির্মাণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আশ্রয়ণ প্রকল্পের অধীন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলায় ১ম পর্যায়ে ৩৪টি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ঘরপ্রতি বরাদ্দ ছিলো ১ লাখ ৭১ হাজার। দ্বিতীয় পর্যায়ে ৫০টি ঘরপ্রতি বরাদ্দ ছিলো ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা। তৃতীয় পর্যায়ে ঘরপ্রতি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ২ হাজার ৫৯ হাজার ৫শ টাকা। বর্তমানে তৃতীয় পর্যায়ের ঘরের নির্মাণ কাজ চলমান। ইতিমধ্যে তৃতীয় পর্যায়ের ৯১টি ঘরের মধ্যে ৪৪টির নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তৃতীয় পর্যায়ের ৯১টি ঘর নিম্নবর্ণিত স্থানসমূহে নির্মিত হচ্ছে বেগমপুর ইউনিয়নের ঝাঝরি গ্রামে ২১টি, মোমিনপুর ইউনিয়নের চাঁদপুর গ্রামে ২৮টি, আলুকদিয়া ইউনিয়নের ঝোড়াঘাটা গ্রামে ১৩টি, তিতুদহ ইউনিয়নের গাজীর ভিটায় ২১টি ও গড়াইটুপি ইউনিয়নের কালুপোল গ্রামে ৮টি। আগামীকাল মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জমি ও গৃহ প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীম ভুইয়ার সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) শারমীন আক্তার, সহকারী কমিশনার আরডিসি শেখ মো. রাসেল প্রমুখ।
আলমডাঙ্গা ব্যুরো জানিয়েছে, এবারের ঈদুল ফিতর উপলক্ষে চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলায় প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহারের ঘর পাচ্ছেন ১৭ দরিদ্র পরিবার। মুজিববর্ষ উপলক্ষে ২৬ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ণ -২ প্রকল্পের ৩য় পর্যায়ে ভূমিহীন ও গৃহহীন ৮০ পরিবারের মধ্যে ১৭ পরিবারকে এ ঘর প্রদান করা হচ্ছে। আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধানমন্ত্রী ২৬ এপ্রিল সারা দেশে গৃহহীনদের ঘর প্রদান করবেন। একই সাথে আলমডাঙ্গার ১৭টি পরিবারকে ঘরের চাবি ও জমির দলিল হস্তান্তর করা হবে। বাকি ৬৩টি ঘর পর্যায়ক্রমে হস্তান্তর করা হবে। এতে দুস্থ ও অসহায় পরিবারগুলির ঈদ আনন্দে নতুন মাত্রা যুক্ত হবে। অনাবিল খুশির হিল্লোল বয়ে যাবে এ দুঃসহ পরিবারে। এ নতুন ঘর হবে তাদের অমীয় শান্তির আবাস। মুজিববর্ষ উপলক্ষে রোববার বেলা ৩টায় উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে ৩য় পর্যায়ে জমি ও গৃহ প্রদান কার্যক্রমের শুভ উদ্ধোধন বিষয়ক প্রেস বিফিং সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান উপজেলা নির্বাহী অফিসার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেজওয়ানা নাহিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ নুর মোহাম্মদ জকু, উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুর রশিদ ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এনামুল হক।
মেহেরপুর অফিস জানিয়েছে, মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে ৩য় পর্যায়ে জমি ও গৃহ প্রদান কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন উপলক্ষে মেহেরপুর সদর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার বিকেলে উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে এই প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়। প্রেস ব্রিফিং এ সভাপতিত্ব¡ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান রিপন। প্রেস ব্রিফিং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, আগামী ২৬ এপ্রিল ভিডিও কনফারেন্সে মাধ্যমে সারাদেশের ন্যয় মেহেরপুরে জেলার ৪০ জন ভূমিহীন ও গৃহহীনদের মাঝে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জমিসহ ঘর হস্তান্তর উদ্বোধন করবেন। এটা তৃতীয় পর্যায়ের বরাদ্দ। এর আগে সদর উপজেলায় প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ে ৫৮ জনকে ঘর প্রদান করা হয়েছে এবং তৃতীয় পর্যায়ে ৪০ জনকে আগামী ২৬ এপ্রিল ঘর বিতরণ করা হবে। এ সময় সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু সাঈদ, বিটিভি জেলা প্রতিনিধি আল আমিন, মেহেরপুর নিউজের সিনিয়র সাংবাদিক মিজানুর রহমান, ভোরের কাগজ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি মর্তুজা ফারুক রুপক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
মুজিবনগর প্রতিনিধি জানিয়েছেন, মুজিবনগর উপজেলা প্রসাশনের উদ্যোগে মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে ৩য় পর্যায়ে আগামী ২৬ এপ্রিল ভূমি ও গৃহ প্রদান শুভ উদ্ভোধন উপলক্ষে মুজিবনগর প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের নিয়ে প্রেস ব্রিফিং ও ইফতার এবং দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বিকেলে মুজিবনগর উপজেলা হলরুমে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে ৩য় পর্যায়ে ভূমি ও গৃহ প্রদান প্রেস ব্রিফিং ও ইফতার মাহফিলে উপস্থিত থেকে প্রেস ব্রিফিং-এ বক্তব্য রাখেন মুজিবনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুজন সরকার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মুজিবনগর প্রেসক্লাবের সভাপতি আলহাজ মুন্সী ওমর ফারুক, সহসভাপতি শাকিল রেজা, সাধারণ সম্পাদক শফিউদ্দীন শেখ সফি, যুগ্মসম্পাদক সোহাগ ম-ল, সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান শের খানসহ মুজিবনগর প্রেসক্লাবের সাংবাদিকবৃন্দ। দোয়া ও ইফতার পরিচালনা করেন মুজিবনগর প্রেসক্লাব সভাপতি সভাপতি আলহাজ মুন্সী ওমর ফারুক।
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি জানিয়েছেন, মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান কার্যক্রমের ৩য় পর্যায় উদ্বোধন উপলক্ষে ঝিনাইদহে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল রোববার বিকেল ৩টায় জেলা প্রশাসক মনিরা বেগমের সভাপতিত্বে¡ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়। প্রেস ব্রিফিং এ জেলা প্রশাসক মনিরা বেগম বলেন, আগামী ২৬ এপ্রিল ভিডিও কনফারেন্সে মাধ্যমে সারাদেশের ন্যায় ঝিনাইদহ জেলার ৩৬৬জন ভূমিহীন ও গৃহহীনদের মাঝে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জমিসহ ঘর হস্তান্তর উদ্বোধন করবেন। এটা তৃতীয় পর্যায়ের বরাদ্দ। এ পর্যন্ত জেলায় মোট ১৩৭৯ ঘর বরাদ্দ হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম পর্যায়ে ৪০৭, দ্বিতীয় পর্যায়ে ২৯৮ এবং তৃতীয় পর্যায়ের ৬৭৩টি ঘরের মধ্যে ৩৬৬টি ঘর আগামী ২৬ এপ্রিল বিতরণ সম্পন্ন হবে। এই তারিখে ঝিনাইদহ সদরে ১৬০টি, শৈলকূপায় ২৮টি, হরিণাকু-ু ২৬টি, কালীগঞ্জ ৭৫টি, কোটচাঁদপুর ২৩টি এবং মহেশপুরে ৫৪টি ঘরের কাজ সম্পন্ন করে তা ঈদ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার হিসেবে গৃহহীন পরিবারের মাঝে প্রদান করা হবে। গত পর্যায়ের চেয়ে এবার ঘরের মান অনেক ভালো। এবার প্রতিটি ঘরের নির্মাণ ব্যয় ২ লাখ ৫৯ হাজার ৫’শ নির্ধারণ করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More