গাংনীর চিৎলা পাটবীজ খামারে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের দাবিতে মানববন্ধন

উপযুক্ত স্থান ও এলাকার প্রয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন এখন গণদাবি
গাংনী প্রতিনিধি: মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার চিৎলা পাটবীজ খামারে কৃষি বিশ^বিদ্যালয় স্থাপনের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন গাংনীর সর্বস্তরের মানুষ। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চিৎলা পাটবীজ খামাওে জেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক ওয়াসিম সাজ্জাদ লিখনের সভাপতিত্বে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। চিৎলা পাট বীজ খামার এ অঞ্চলের মধ্যে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উপযুক্ত ও গুরুত্বপর্ণ স্থান উল্লেখ করে অনুষ্ঠানের আয়োজক ওয়াসিম সাজ্জাদ লিখন বলেন, প্রায় ১৩শ’ বিঘা জমি নিয়ে গঠিত চিৎলা পাট বীজ খামার দেশের তৃতীয় বৃহত্তম পাট বীজ খামার। কৃষিতে মেহেরপুর জেলাসহ আশপাশের এলাকার গৌরাবান্বিত সফলতা অব্যাহত রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলার ছেলে-মেয়েরা সহজেই উচ্চ শিক্ষার সুযোগ নিতে পারবে অন্যদিকে কৃষিতে এ নব যুুগের সূচনা হবে। দেশের সবচেয়ে উপযুক্ত স্থান হিসেবে চিৎলা পাট বীজ খামারে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের দাবি করেন তিনি।
বক্তৃতায় তিনি বলেন, আমি যখন মেহেরপুর সরকারি কলেজের ভিপি-জিএস নির্বাচিত হয়েছিলাম তখন থেকেই নানা দাবি করে আসছি। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করার পর মেহেরপুর জেলার উন্নয়ন নিয়ে যে পরিকল্পনা দাবি উত্থাপন করা হয় তার মধ্যে মুজিবনগর কমপ্লেক্স, ভৈরব নদী পুনর্খনন ও চিৎলা পাট বীজ খামারে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন দাবি ছিলো প্রধান তিনটি দাবি। বিশ্ববিদ্যালয়ের এ দাবি সাবেক সংসদ সদস্য মকবুল হোসেন, আমজাদ হোসেন সংসদে উত্থাপন করেন। এরই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সংসদ সদস্য মোহাম্মদ সাহিদুজ্জামান খোকন সংসদে উত্থাপনপূর্বক জোরালো ভূমিকা রাখেন। এটি আমাদের জন্য অত্যান্ত আনন্দের ও গর্বের। কেনো না কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের দাবি এখন সকলের দাবিতে পরিণত হয়েছে।
দাবি পূরণে পৃথিবীর বিভিন্ন ইতিহাস উল্লেখ করে তিনি বলেন, যেকোনো যৌক্তিক দাবি কাউকে না কাউকে প্রথম উত্থাপন করতে হয়। একদিন সেই দাবি জনদাবিতে পরিণত হয়। এক পর্যায়ে দাবি পূরণ হয়। কৃষি ও শিক্ষা বান্ধব মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনদাবি আমলে নিয়ে আমাদেরকে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় উপহার দেবেন এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন ওয়াসিম সাজ্জাদ লিখন।
বিশেষ কোনো কারণ নয়, স্থান নির্বাচনের উপযুক্ততা যাচাই করে চিৎলা পাট বীজ খামারে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপনের যৌক্তিকতা তুলে ধরেন আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান, সাবেক প্রধান শিক্ষক আব্দুল মান্নান, পৌর প্যানেল মেয়র নবীর উদ্দীন, ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও পৌর কৃষকলীগ সভাপতি বদরুল আলম, ২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মিজানুর রহমান, উপজেরা স্বেচ্ছাসেবক লীগ আহ্বায়ক আবুল বাসার, সাবেক ইউপি সদস্য গোলাম আম্বিয়া, জেলা কৃষকলীগ যুগ্ম সম্পাদক মশিউর রহমান, উপজেলা ছাত্রলীগ সাবেক সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব হোসেন, গাংনী সরকারি কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি মাহমুদ হাসিব ও সংগঠক মামুনুর রশিদ বিজন প্রমুখ।

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More