চুয়াডাঙ্গায় নন-এমপিও শিক্ষক ও কর্মচারীদের মাঝে অনুদান বিতরণকালে জেলা প্রশাসক

মানুষকে নান্দনিক ও আলোকিত করে গড়ে তুলতে হবে
স্টাফ রিপোর্টার: মহামারী নভেল করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) কারণে চুয়াডাঙ্গায় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ননএমপিও শিক্ষক ও কর্মচারীদের অনুকূলে অনুদান বিতরণ করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১০টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে এ অনুদান বিতরণ করা হয়। চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মনিরা পারভীনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ছিলেন জেলা শিক্ষা অফিসার নিখিল রঞ্জন চক্রবর্তী। অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় ছিলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুরাইয়া মমতাজ।
সভায় জানানো হয়, জেলার চার উপজেলার ৮১১ জন শিক্ষক ও কর্মচারীদের মাঝে ২০ লাখ ২৭ হাজার ৫০০ টাকার অনুদান প্রদান করা হয়। এরমধ্যে শিক্ষক ৪৬৫ জন এবং কর্মচারী ৩৪৬ জন। শিক্ষকদের ৫ হাজার টাকা করে এবং কর্মচারীদের ২ হাজার ৫০০ টাকা করে অনুদান প্রদান করা হয়। বিকাশের মাধ্যমে এ টাকা বিতরণ করা হচ্ছে। আগামী দু’দিনের মধ্যে এ টাকা বিকাশের মাধ্যমে সকলে মোবাইল ফোনে পাবেন। অনুদান বিতরণকালে ১০ জন শিক্ষককে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে আমন্ত্রণ জানানো হয়। এসময় আনুষ্ঠানিকভাবে জেলা প্রশাসক শিক্ষকদের হাতে চেক তুলে দেন।
সভায় প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার বলেন, আমাদের সৌভাগ্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে পেয়েছি। ২০৪১ সালে উন্নত রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখছি। দূরদর্শী নেতৃত্ব ছাড়া সম্ভব নয়। বাংলাদেশে প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১ হাজার ১৫৩ জন নাগরিক বসবাস করেন। অথচ বিরাট দেশ চীনে প্রতি বর্গকিলোমিটারে ৩৫৩ জন এবং ভারতে ৩৫০ থেকে ৪০০ বসবাস করেন। তারপরও আমরা খেয়ে পরে বেঁচে আছি। জনসংখ্যাকে সমস্যা না ভেবে সম্ভাবনা মনে করি। ইউরোপে কাজ করার লোক পায় না।। কর্মক্ষম লোক নেই ওই দেশে। তারা লোক নেবে। কানাডা প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১০ জন বাস করে। রাশিয়ার জমি পরে থাকে। এদেশের মানুষগুলোকে উপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে। মানুষের প্রাণপন চেষ্টা থাকতে করতে হবে। শিক্ষার্থীরা প্রথমে পরিবার, তারপর শিক্ষকদের। এখন ছেলে-মেয়েরা শিক্ষকদের সম্মান করে না। নৈতিকতা ও মূল্যেবোধ বৃদ্ধি করতে হবে। কাজের অভাব হবে না। ঘরে বসে রোজগার করতে পারবে। মানুষকে নান্দনিক ও আলোকিত করে গড়ে তুলতে হবে। দেশের কথা ভাবতে হবে। দেশপ্রেম জাগাতে হবে। করোনা কি প্রচার-প্রচারণা করছে, সরকার বলে দিয়েছে। সুনাগরিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি না। প্রকৃত শিক্ষা না থাকায় নৈতিকতা শিখাতে হবে। আইন মানতে চাই না। গরিবদের ঘর বানানোর জন্য ৪০-৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। এসব দূর না হলে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। সৃষ্টিকর্তা মানুষকে সেরা জীব বলে দিয়েছেন। নিজের দায়িত্বটুকু পালন করেন।

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More