দেশজুড়ে রেড অ্যালার্ট জারি : সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী

স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে এ রেড অ্যালার্ট জারি। এরপরই পুলিশ, র‌্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সব ইউনিটে বাড়তি সতর্কতা নেয়া শুরু হয়। এমনকি পুলিশের দায়িত্বশীল যেসব কর্মকর্তা ছুটিতে ছিলেন, তাও বাতিল করা হয়েছে। তাদের দ্রুত নিজ নিজ কর্মস্থলে ফেরার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, চিকিৎসার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানোর দাবি ঘিরে কেউ যেন অনাকাক্সিক্ষত পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে, সে লক্ষ্যে দেশব্যাপী নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য সংকট নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও গুজব বা অসত্য তথ্য ছড়ানোর কারণে বিশৃঙ্খলার বিষয়টিতেও নজর রাখা হচ্ছে। দেশের সব থানাসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর স্থাপনা ঘিরে সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারিও। এর আগে, মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে দলটির নেতাকর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়। এ পরিস্থিতিতে নানা ধরনের কথা ছড়িয়ে পড়ে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে কয়েকজন নেতাও বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতালে তার প্রকৃত অবস্থা জানতে চলে আসেন। তবে নিয়মিত পরিদর্শনে এদিন রাত ১০টার দিকে হাসপাতালে আসেন বিএনপি মহাসচিব। রাতে গুলশানে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি জানিয়েছিলেন, বেগম জিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জার্মানিতে নেয়ার বিকল্প নেই। রাতে সরেজমিনে হাসপাতালে এসে বিএনপির কয়েকজন নেতাকে দেখা গেছে। তাদেরও উদ্বিগ্ন দেখা যায়। পরে রাত ১১. ১১ মিনিটে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমি প্রায় এক ঘণ্টা ছিলাম ম্যাডামের সিসিইউতে। সেখানে ডা. এফএম সিদ্দিকীসহ অন্য চিকিৎসকরা আছেন। বিকেলের দিকে ম্যাডামের হিমোগ্লোবিন কমে যাওয়ায় শরীরের অবস্থা ফ্লাকচুয়েট হয়েছিল। পরে উনাকে রক্ত দেয়া হয়। এখন আগের অবস্থায় আছেন তিনি। হাসপাতালে কেবিন ব্লকে বসে কথা হয় বিএনপির ঢাকা মহানগর (উত্তর) আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমানের সঙ্গে। তিনি বলেন, ম্যাডামের অবস্থা ভালো নয়। তার উন্নত চিকিৎসা দরকার। দলের মহাসচিব রাতেই সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ম্যাডামের এখন বিদেশে নেয়া ছাড়া বিকল্প নেই। দেশের চিকিৎসা দিয়ে তাকে বাঁচানো সম্ভব নয়। পরে রাত সোয়া ১১টার দিকে বিএনপি মহাসচিবের সঙ্গে হাসপাতাল ত্যাগ করেন তিনি।

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More