দেশে করোনা ভাইরাসে আরও ৫ জনের মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টার: দেশে করোনা ভাইরাসে আরো পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে চার জন ঢাকা বিভাগের এবং এক জন চট্টগ্রাম বিভাগের বাসিন্দা। দেশের বাকি ছয় বিভাগে মৃত্যু শূন্য। গতকাল শনিবার বিকালে সংবাদমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশে করোনা ভাইরাসে এ পর্যন্ত মোট ৮ হাজার ৪০০ জনের মৃত্যু হলো।
গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ৪০৭ জনের মধ্যে সংক্রমণ ধরা পড়ায় দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৫ লাখ ৪৫ হাজার ৮৩১ জন হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাবে বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরো ৬০৯ জন রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন গত একদিনে। তাতে এ পর্যন্ত সুস্থ রোগীর মোট সংখ্যা বেড়ে ৪ লাখ ৯৬ হাজার ১০৭ জন হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ১১৭টি আরটি-পিসিআর ল্যাব, ২৯টি জিন-এক্সপার্ট ল্যাব ও ৬৮টি র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন ল্যাবে অর্থাৎ সর্বমোট ২১৪টি ল্যাবে ১২ হাজার ৩৪৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ৪০ লাখ ৩০ হাজার ৬১৬টি নমুনা। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ৩ দশমিক ৩০ শতাংশ, এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৫৪ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯০ দশমিক ৮৯ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৫৪ শতাংশ। সরকারি ব্যবস্থাপনায় এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৩১ লাখ ৮ হাজার ৪৬৪টি। আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হয়েছে ৯ লাখ ২২ হাজার ১৫২টি।
গত এক দিনে যারা মারা গেছেন, তাদের মধ্যে চার জন পুরুষ এবং এক জন নারী। তাদের সবাই হাসপাতালে মারা গেছেন। তাদের তিন জনের বয়স ৬০ বছরের বেশি; এক জনের বয়স ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে এবং এক জনের বয়স ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ছিলো। দেশে এ পর্যন্ত মারা যাওয়া ৮ হাজার ৪০০ জনের মধ্যে ৬ হাজার ৩৫৩ জনই পুরুষ এবং ২ হাজার ৪৭ জন নারী। তাদের মধ্যে ৪ হাজার ৬৭৩ জনের বয়স ছিল ৬০ বছরের বেশি। এছাড়াও ২ হাজার ৮২ জনের বয়স ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে, ৯৫২ জনের বয়স ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে, ৪২১ জনের বয়স ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে, ১৭১ জনের বয়স ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে, ৬৪ জনের বয়স ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে এবং ৩৭ জনের বয়স ছিল ১০ বছরের কম। এর মধ্যে ৪ হাজার ৭০৩ জন ঢাকা বিভাগের, ১ হাজার ৫৩৭ জন চট্টগ্রাম বিভাগের, ৪৭৮ জন রাজশাহী বিভাগের, ৫৬০ জন খুলনা বিভাগের, ২৫৩ জন বরিশাল বিভাগের, ৩১০ জন সিলেট বিভাগের, ৩৬৩ জন রংপুর বিভাগের এবং ১৯৬ জন ময়মনসিংহ বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন।

 

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More