বেফাকের অধীন কওমি মাদ্রাসায় পাসের হার ৭৪.৪ শতাংশ

কওমি মাদ্রাসার শিক্ষাবোর্ড বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়ার (বেফাক) ৪৪তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষার ফলাফল সোমবার প্রকাশিত হয়েছে। এ বছর সার্বিক পাসের হার ৭৪ দশমিক ৪ শতাংশ। ফজিলত মারহালায় ছাত্রদের পাসের হার ৮০ দশমিক ৩৪ শতাংশ, ছাত্রীদের ৬৮ দশমিক ৫ শতাংশ। সানাবিয়া উলইয়ায় ছাত্রদের পাসের ৭২ দশমিক ৯৪ শতাংশ, ছাত্রীদের ৫৬ দশমিক ২৫ শতাংশ। মুতাওয়াসসিতাহ মারহালায় ছেলেদের পাসের হার ৮৫ দশমিক ২৭ শতাংশ, মেয়ে শিক্ষার্থীদের ৬৮ দশমিক ৬৪ শতাংশ। ইবতিদাইয়্যা ছেলেদের ৭৫ দশমিক ৬১ শতাংশ পাস করেছে। মেয়েদের ৬৬ দশমিক ৭৭ শতাংশ পাস করেছে। হফজ মারহালায় ৯৫ দশমিক ১৫ এবং ইলমুজ তাজভীদ ও কেরাত মারহালায় ৯০ দশমিক ৭৪ শতাংশ পরীক্ষার্থীরা পাস করেছে।
সোমবার বেফাকের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। স্নাতক পর্যায় অর্থাৎ ফজিলত মারহালায় ৭৭৫ নম্বর পেয়ে ছেলেদের মধ্যে মেধাতালিকায় প্রথমস্থান অধিকার করেছেন মাদারীপুরের শিবচরের জামিয়াতুস সুন্নাহ মাদ্রাসার আবদুল জলিল। ৬৫১ নম্বর পেয়ে মেয়েদের মধ্যে প্রথমস্থান অধিকার করেছেন যশোরের জামিয়া নিয়ামাতিয়া মহিলা মাদ্রাসার মারজান। সানাবিয়া উলয়া অর্থাৎ উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে ছেলেদের মধ্যে প্রথম হয়েছেন ফেনীর জামিয়া রশিদিয়া মাদ্রাসার আবদুল কাইয়ুম। মেয়েদের মধ্যে প্রথম হয়েছেন ঢাকার মিরপুরের জামিয়া মিল্লিয়া মাদানিয়ার শিক্ষার্থী অফিফা। মুতাওয়াসসিতাহ মারহালায় (নিম্ন মাধ্যমিক) ছেলেদের মধ্যে প্রথম হয়েছে ময়মনসিংহের মধ্য বাড়েরা দারুল উলুম নিযামিয়া মাদ্রাসার মাহবুব উল্লাহ মুআজ। এ পরীক্ষায় বালিকা শাখায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন ঢাকার তালীমুল কুরআন বালিকা মাদ্রাসার মালিহা আক্তার ফাতেমা। প্রাথমিকে অর্থাৎ ইবতিদাইয়্যাহ মারহালায় বালক শাখায় প্রথম হয়েছেন নারায়ণগঞ্জের জামিয়া রাব্বানিয়ার মুহাম্মদ আবদুর রহীম। বালিকা শাখায় প্রথম হয়েছেন ঢাকার যাত্রাবাড়ির আয়েশা সিদ্দীকা মাদ্রাসার মুবাশ্বিরা বিনতে মুর্শেদ।
বেফাকের অধীনে দুই লাখ ৩০ হাজার নিবন্ধিত পরীক্ষার্থীদের মধ্যে দুই লাখ ২৫ হাজার গত ১৮ থেকে ২৫ মার্চ অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় অংশ নেন। লকডাউনের কারণে মাদ্রাসা বন্ধ থাকলেও রমজানেই ফল প্রকাশ করেছে। সোমবার দুপুরে চূড়ান্ত ফল বেফাকের যাত্রাবাড়ির কার্যালয়ে কওমি মাদ্রাসার সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা হাইয়াতুল উলইয়ার চেয়ারম্যান আল্লামা মাহমুদুল হাসানের হাতে তুলে দেন প্রধান পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মুফতি আমিনুল হক। এ সময় বেফাকের সহ-সভাপতি মাওলানা সফিউল্লাহ, মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। মাদ্রাসা বন্ধ থাকলেও যথাসময়ে ফল প্রকাশ করায় শিক্ষকদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন মাহমুদুল হাসান।

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More