আওয়ামী লীগের অন্যতম সহযোগী সংগঠন পূর্ণাঙ্গ কমিটি

নতুন মুখই বেশি : সাবেক ছাত্রলীগকে প্রাধান্য

স্টাফ রিপোর্টার: সপ্তম জাতীয় কংগ্রেসের প্রায় এক বছর পর পূর্ণাঙ্গ কমিটি পেলো আওয়ামী লীগের অন্যতম সহযোগী সংগঠন যুবলীগ। ২০১ সদস্যের কমিটিতে বেশির ভাগই নতুন মুখ। বিতর্কিত কর্মকা- ও বয়সের কারণে আগের কমিটির অন্তত ৭৩ নেতা বাদ পড়েছেন। কয়েকজনকে আবার দেয়া হয়েছে প্রমোশন। নতুন কমিটিতে জায়গা পেয়েছেন সাবেক ছাত্রলীগের অন্তত ৩০ নেতা। তাদের বেশ কয়েকজনকে গুরুত্বপূর্ণ সম্পাদকীয় পদে রাখা হয়েছে। এছাড়া প্রেসিডিয়ামে মজিবুর রহমান চৌধুরী ওরফে নিক্সন চৌধুরীসহ ৪ সংসদ সদস্য জায়গা পেয়েছেন। আলোচিত আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সাইদুল হক সুমনকে আইনবিষয়ক সম্পাদক করা হয়েছে।

ক্যাসিনোকা-ের পর গত বছরের ২৩ নভেম্বর যুবলীগের কেন্দ্রীয় কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়। কংগ্রেস থেকে শেখ ফজলে শামস পরশকে সংগঠনের চেয়ারম্যান ও মাইনুল হোসেন খান নিখিলকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করা হয়। সিটি নির্বাচন, করোনাসহ নানা কারণে পূর্ণাঙ্গ কমিটির কাজ শেষ করতে বিলম্ব হয়। সম্প্রতি সংগঠনের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রস্তাব আকারে উত্থাপন করেন। সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

নতুন কমিটিতে যারা : যুবলীগের কমিটিতে ২৭ জন প্রেসিডিয়াম সদস্যের মধ্যে ২২ জনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। পাঁচটি পদ ফাঁকা রয়েছে। আগের প্রেসিডিয়ামের প্রায় সবাই বাদ পড়েছেন। নতুন ২২ জনের মধ্যে আগের কমিটির বেশ কয়েকজন সম্পাদক, সহসম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য রয়েছেন। প্রেসিডিয়ামে জায়গা পাওয়া অ্যাডভোকেট মামুনুর রশীদ ও মনজুর আলম শাহীন আগের কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। আবু আহমেদ নাসিম পাভেল ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক। শেখ ফজলে ফাহিম ছিলেন গত কমিটির সদস্য। ড. সাজ্জাদ হায়দার চৌধুরী লিটন আগের কমিটির আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।

প্রেসিডিয়ামে জায়গা পাওয়া তাজউদ্দিন আহমেদ ছিলেন সহসম্পাদক। প্রেসিডিয়ামে অন্যতম চমক ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন) আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান চৌধুরী ওরফে নিক্সন চৌধুরী। এছাড়া সংসদ সদস্যদের মধ্যে আরও আছেন জুয়েল আরেং এমপি, আবুল কালাম মো. আহসানুল হক চৌধুরী এমপি, সেলিম আলতাফ জর্জ এমপি। এছাড়া শেখ সোহেল উদ্দিন, ডা. খালেদ শওকত আলী, মো. জসিম, মো. আনোয়ার হোসেন, এন শাহাদাত হোসেন তাসলিম, রফিকুল ইসলাম, হাবিবুর রহমান পবন, নবী নেওয়াজ, এনামুল হক খান, মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, সুভাস চন্দ্র হালদার, মৃনাল কান্তি জোয়ার্দার, জসিম মাদবর যুবলীগের প্রেসিডিয়ামে জায়গা পেয়েছেন।

কমিটিতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন পাঁচজন। এর মধ্যে আগের কমিটির সুব্রত পাল নতুন কমিটিতেও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন। বাকি চারজন হলেন- মশিউর রহমান বাদশা, মো. বদিউল আলম, ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নাঈম ও মো. রফিকুল আলম জোয়াদার। এর মধ্যে শেখ ফজলে নাঈম আগের কমিটির সদস্য ছিলেন।

কেন্দ্রীয় কমিটির ৯ সাংগঠনিক সম্পাদক পদে সবগুলোই নতুন মুখ। এর মধ্যে ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মো. সাইফুর রহমান সোহাগকে রাখা হয়েছে। বাকি সাংগঠনিক সম্পাদকরা হলেন- কাজী মো. মাজহারুল ইসলাম, ডা. হেলাল উদ্দিন, মো. জহির উদ্দিন খসরু, মো. সোহেল পারভেজ, আবু মুনির মো. শহিদুল হক রাসেল, মশিউর রহমান চপল, অ্যাডভোকেট মো. শামীম আল সাইফুল সোহাগ ও প্রফেসর ড. মো. রেজাউল কবির।

 

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More