চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুরসহ সারাদেশে পৃথক বজ্রপাতে ২৬ জনের প্রাণহানী

মাথাভাঙ্গা ডেস্ক: চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুরসহ দেশের পৃথক স্থানে বজ্রপাতে কমপক্ষে ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে চট্টগ্রামে চারজন, সিরাজগঞ্জে পাঁচজন, ফেনীতে দ’ুজন, টাঙ্গাইলে দু’জন পটুয়াখালীতে দু’জন, সাতক্ষীরায় দ’ুজন এবং মাদারীপুর, নোয়াখালী, মুন্সিগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, বরিশাল, রাজবাড়ী, নাটোর, মেহেরপুর ও চুয়াডাঙ্গায় একজন করে মোট ছয়জন নিহত হয়েছেন। রোববার সকাল ৯টা থেকে বিকেলে ৬টার মধ্যে এসব বজ্রপাত হয়। অপরদিকে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বুধবার নাগাদ দেশে বর্ষা ঢুকতে পারে। মঙ্গলবার থেকেই শুরু হতে পারে বৃষ্টি। এর আগে দেশের বিভিন্ন স্থানে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভবনার কতা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।
চুয়ডাঙ্গায় রোববার ৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। সকাল থেকে তীব্র গরম শুরু হয়। দুপুরের পর চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুরের আকাশে মেঘের ঘণঘটা শুরু হয়। বিকেল শুরু হতে না হতেই হালকা বৃষ্টি ঝরতে শুরু করে। সাথে ছিলো বজ্রপাত। তীব্র গরমের সময় দফায় দফায় বিদ্যুত দীর্ঘ সময় ধরে না থাকায় চুয়াডাঙ্গা মেহেরপুরে সাধারণ মানুষের নাভিশ^াস ওঠে। অনেকেই ফুঁসতে থাকেন বারুদের মতো। তবে বৃষ্টি শুরু হলে স্বস্তি নামে। যদিও বিদ্যুতের ঝলকানি আর বজ্র শব্দে ভিতি শুধু শিশুদের ছাড়িয়ে বড়দের মাঝেও পৌঁছুয়। কেপে ওঠে যেনো হৃদয়। বজ্রপাতে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার রুইথনপুর গ্রামের কৃষক কোরবান আলী নামের একজন নিহত হন। দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা গ্রামে বজ্রপাতে মুকুল নামের একজনের বাড়িতে থাকা নারকেল গাছের মাধ্যমে বজ্রপাত ধরিত্রীতে মেশে। এ সময় মুকুলের শিশু কন্যা আহত হয়। নারকেল গাছে জ¦লতে শুরু করে আগুন। বজ্রপাতে নারকেল গাছে আগুন জ¦লা ধেকে এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়ায়। দেশের সর্বোচ্চ তাপমাতা রোববার যশোরে ৩৮ দশমিক ৪ ও সর্বনিম্ন ফেনীতে ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিলো ৩৭ দশমিক ৪ ও সর্বনিম্ন ২৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ময়মনিসংহ, বারিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজমাহী ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারী ধরণের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে দেশের পুর্বাঞ্চলে মাঝারী ধরণের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, তাড়াশ এবং দিনাজপুর অঞ্চরসহ খুলনা বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারীধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এটি কিছু এলাকা থেকে প্রশমিত হতে পারে। ৪৮ ঘণ্টায় সারা দেশের অবশিষ্টাংশে দক্ষিণ পশ্চিম মরসুমি বায়ু তথা বর্ষা বিস্তার লাভ করতে পারে। ৫ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বৃষ্টি বজ্রসহ বৃষ্টি বৃদ্ধি পেতে পারে। রোববার দেশের সর্বাধিক ১শ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয় চাটগার সীতাকুন্ডে। চট্টগ্রামে বৃষ্টি হয়েছে ৯৮ মিলিমিটার।
আলমডাঙ্গা ব্যুরো জানিয়েছে, চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় বজ্রপাতে কোরবান আলী (৪০) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে আলমডাঙ্গা উপজেলার রুইথনপুর গ্রামের মাঠে ওই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত কোরবান আলী একই গ্রামের মৃত ফকির আলীর ছেলে। নিহতের স্বজনরা জানান, বিকেলে বৃষ্টি শুরু হলে রুইথনপুর গ্রামের মাঠে যান কৃষক কোরবান আলী। তার নিজ কচুর ক্ষেতে সার ছিটানোর সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে মাঠের অন্য কৃষকরা তার মরদেহ উদ্ধার করে বাড়ি নেয়। রাত ৮টার দিকে তার দাফনকাজ সম্পন্ন হয়েছে। আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর কবীর জানান, খবর পেয়ে নিহতের বাড়ি গিয়ে তার মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে পুলিশ।
মুজিবনগর প্রতিনিধি জানিয়েছেন, মুজিবনগর উপজেলার পুরুন্দরপুরে বজ্রপাতে ফরিদ নওদা (৫০) নামে এক কৃষক মারা গেছে। গতকাল রোববার বিকেলে পুরন্দরপুর নটগাড়ির মাঠে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ফরিদ নওদা মুজিবনগর উপজেলার দারিয়াপুর ইউনিয়নের পুরুন্দরপুর গ্রামের মৃত বকস নওদার ছেলে। স্থানীয় ইউপি সদস্য তারা মিয়া জানান, প্রতিদিনের ন্যায় আজও সে নটগাড়ির মাঠে গরুর ঘাস কাটার জন্য যায় বিকেল ৪টার দিকে মাঠে হটাৎ বজ্রপাতে তার মৃত্যু হয়। মাঠে থাকা অন্যান্য কৃষক তাকে দেখতে পেয়ে তার লাশ বাড়ি নিয়ে আসে। সন্ধ্যায় তার লাশ গ্রাম্য কবরস্থানে দাফন করা হয়।
চট্টগ্রাম থেকে জানানো হয়েছে, চট্টগ্রামের মিরসরাই ও বোয়ালখালীতে বজ্রপাতে দুজন নিহত হয়েছেন। একইদিনে ফটিকছড়িতে মাঠে কাজ করার সময় বজ্রপাতে দুই নারীর মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছেন আরও তিনজন। সকাল ৯টা থেকে সাড়ে ১০টার মধ্যে এ বজ্রপাতের ঘটনাগুলো ঘটে। নিহতরা হলেন বোয়ালখালীর জ্যৈষ্ঠপুরা পাহাড়ের গরজংগিয়া এলাকার বাসিন্দা মোস্তফা কামালের ছেলে মো. জাহাঙ্গীর (৩৯), মিরসরাইয়ের সাহেরখালী ইউনিয়নের ৯ নম্বর পূর্ব ডোমখালী ওয়ার্ড এলাকার বাসিন্দা স্কুলছাত্র সাজ্জাদ হোসেন (১৬), যোগেন্দ্র শীলের স্ত্রী ভানুমতি শীল (৪০) ও বানেশ্বর দাশের স্ত্রী লাকি রানি দাশ (৩৮)।
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি জানিয়েছেন, সিরাজগঞ্জে এক ঘণ্টার মধ্যে বজ্রপাতে স্কুলছাত্রসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। রোববার বিকেল ৪টা থেকে ৫টার মধ্যে উল্লাপাড়া উপজেলার বাঙ্গালা ও উধুনিয়া, শাহজাদপুর উপজেলার কায়েমপুর ও নরিনা ইউনিয়ন এবং বেলকুচি উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতেরা হলেন- শাহজাদপুর উপজেলার কায়েমপুর ইউনিয়নের চর আঙ্গারু গ্রামের আমানত হোসেনের ছেলে আব্দুল্লাহ (২৬), নরিনা ইউনিয়নের বাতিয়া গ্রামের আলহাজ বাবুর্চি (৫০), সলঙ্গা ইউনিয়নের আঙ্গারু বাঘমারা গ্রামের রফিকুল ইসলাম (৪৫), উল্লাপাড়া উপজেলার উধুনিয়া ইউনিয়নের আগদিঘল গ্রামের শাহেদ আলীর ছেলে স্কুলছাত্র ফরিদুল ইসলাম (১৫) ও বেলকুচি উপজেলার চর সমেশপুর গ্রামের লাইলি বেগম।
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি জানিয়েছেন, টাঙ্গাইলের নাগরপুরে পৃথক দুইটি স্থানে বজ্রপাতে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল রোববার বিকেলে উপজেলার ভাদ্রা ও বেকড়া ইউনিয়নে পৃথক দুইটি স্থানে বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু হয়। মৃতরা হলেন- উপজেলার ভাদ্রা ইউনিয়নের গাংবিহালী গ্রামের মো. বক্তার খানের ছেলে আলমাছ খান (৫৫) এবং বেকড়া ইউনিয়নের বেকড়া মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত পলান মিয়ার ছেলে সোনা মিয়া (৫৩)। স্থানীয় ইউপি সদস্য মুসলেম উদ্দিন জানায়, আলমাছ খান বিকেলে গাংবিহালী চক থেকে ধানের খড় শুকোচ্ছিলেন। এ সময় আকাশে বিদ্যুত চমকানো শুরু হলে সে বাড়ি ফিরে আসতে থাকে। বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে তার মৃত্যু হয়। অপর দিকে বেকড়া মধ্যপাড়ার সোনা মিয়া বিকেলে তার নিজবাড়ির উঠোনে বজ্রপাতে মৃত্যুবরণ করেন। নাগরপুর থানার ওসি (তদন্ত) বাহালুল খান বাহার দুটি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
রাজবাড়ী প্রতিনিধি জানিয়েছেন, রাজবাড়ীর পাংশায় বজ্রঘাতে আশরাফ সরদার (২৬) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার বিকালে উপজেলার হাবাসপুর ইউনিয়নের চর-আফড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সে উপজেলার পৌর এলাকার নারায়নপুর গ্রামের রশিদ সরদারের ছেলে। স্থানীয় আমিরুল ইসলাম জানায়, আশরাফ ও তার ভাই সকালে চর-আফড়া জলিল বিশ্বাসের তিল ক্ষেতে কাজ করতে যায়। কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাত হলে তিনি গুরুত্বর আহত হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নাটোর সংবাদদাতা জানিয়েছেন, সিংড়া কলম কাজিপাড়া গ্রামে বজ্রপাতে কলেজ ছাত্র রাসেল নামে একজনের (২২) মৃত্যু হয়েছে। সে হাতিয়ান্দহ ইউনিয়নের আলাদী গ্রামে ওসমান আলীর পুত্র এবং দিঘাপতিয়া এমকে ডিগ্রি কলেজের ছাত্র। নানার বাড়ি কলম কাজিপাড়ায় রোববার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। বিকেলে সিংড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে আসলে ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন।
ফেনী থেকে জানা গেছে, ফেনী জেলার সোনাগাজীতে বজ্রপাতে দুই শিশু নিহত হয়েছে। বেলা ১১টায় উপজেলার বগাদানা ইউনিয়নের আলামপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, সাজেদা আক্তার (১২) ও আল আমীন (৬)। সাজেদা ওই গ্রামের আনু ফরায়েজি বাড়ির সোলেমান মিয়ার মেয়ে ও আল আমীন একই বাড়ির বাহার উদ্দিনের ছেলে। তারা দুজনই স্থানীয় কাটাখিলা ছমদিয়া দাখিল মাদরাসার শিক্ষার্থী।
অপরদিকে পটুয়াখালী সদর ও মির্জাগঞ্জ উপজেলায় বজ্রপাতে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার বিকেলে মির্জাগঞ্জের মজিদবাড়িয়া ইউনিয়নের পশ্চিম তাড়াবুনিয়া গ্রামে আব্দুল জলিল ও সদর উপজেলার মরিচবুনিয়া গ্রামে মজিদ হাওলাদার বজ্রপাতে মারা যান।
এদিকে বিকেলে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভোমরা ইউনিয়নের চৌবাড়িয়া ও তালা উপজেলার খলিশখালী ইউনিয়নে হরিণখোলা গ্রামে বজ্রপাতে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছে আরও তিনজন। মৃতরা হলেন- হরিণখোলা গ্রামের আশুতোষ মন্ডলের ছেলে কিশোর মন্ডল (৩৮) ও চৌবাড়িয়া গ্রামের বজলুর রহমানের মেয়ে রাবেয়া খাতুন (২০)। আহতদের পরিচয় জানা যায়নি।
অপরদিকে মাদারীপুর জেলার শিবচরে বাদাম তুলতে গিয়ে বজ্রপাতে আয়েশা বেগম (৫০) নামের এক নারী নিহত হন। বিকেল ৪টায় উপজেলার চরজানাজাত ইউনিয়নের বালুরটেকে এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিরাজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। নিহত আয়েশা একই এলাকার ছোরফান হাওলাদারের স্ত্রী। নোয়াখালীর সাংবাদ মাধ্যম থেকে জানা যায়, এ জেলার হাতিয়ায় ক্ষেতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে আবদুল মান্নান খোকন (৩৬) নামের এক কৃষক নিহত হয়েছেন। দুপুর সাড়ে ৩টায় উপজেলার সোনাদিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব মাইসচরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত খোকন একই গ্রামের মৃত সৈয়দ আহমদ মুন্সীর ছেলে।
ঢাকা মুন্সিগঞ্জ থেকে জানা গেছে, এ জেলার সিরাজদিখানে বৃষ্টির মধ্যে ফুটবল খেলতে গিয়ে বজ্রপাতে অপূর্ব বর্মন (১৯) নামের এক কলেজছাত্র নিহত হয়েছেন। বিকেল ৪টায় উপজেলার শেখরননগর মাঠে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় আহত হয়েছেন আরও দুজন। নিহত অপূর্ব উপজেলার শেখরনগর ইউনিয়নের জেলেপাড়া গ্রামের স্বপন বর্মনের ছেলে ও আলী আজগর অ্যান্ড আব্দুল্লাহ কলেজের এইচএসসির পরীক্ষার্থী। মানিকগঞ্জের ঘিওরে বজ্রপাতে মো.শাহীন হোসেন (১৮) নামে এক কলেজছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ঘিওর উপজেলার বৈলট এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত শাহীন হোসেন ঘিওর সদর ইউনিয়নের মুক্তার হোসেনের ছেলে। তিনি শিবালয়ের মহাদেবপুর ইউনিয়ন ডিগ্রি কলেজে এইচএসসি প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। এছাড়া প্রাপ্ত তথ্য মতে বিকেল বরিশালের উজিরপুর উপজেলার সাতলা ইউনিয়নের উত্তর সাতলা গ্রামে বজ্রপাতে নান্টু বালী (৩০) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি ওই এলাকার ইউনুস আলীর ছেলে।

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More