আসুন প্রতিজ্ঞা করি জনগণের মঙ্গলের জন্য কাজ করবো

জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত : ঢাকায় প্রধানমন্ত্রী

মাথাভাঙ্গা ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সব প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে বাংলাদেশ এখন সমৃদ্ধির পথে। বিগত ১২ বছরের নিরলস প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়েছে। আমরা ২০৩১ সালের মধ্যে জাতিসংঘ ঘোষিত ‘টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা’ অর্জন করতে চাই, উচ্চ মধ্যমাায়ের দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করতে চাই। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। গতকাল শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর ১০ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার শেষ দিনের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী সমৃদ্ধ দক্ষিণ এশিয়া গড়ে তুলতে ভারতসহ এই অঞ্চলের নেতৃবৃন্দকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের এ শুভ মুহূর্তে আসুন প্রতিজ্ঞা করি সব ভেদাভেদ ভুলে আমরা আমাদের জনগণের মঙ্গলের জন্য কাজ করবো। দক্ষিণ এশিয়াকে উন্নত-সমৃদ্ধ অঞ্চল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবো।
জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে আয়োজিত ‘মুজিব চিরন্তন’ অনুষ্ঠানমালার শেষদিনের মূল থিম ছিলো- ‘স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর ও অগ্রগতির সুবর্ণরেখা’। এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। সভাপতি ছিলেন শেখ হাসিনা। সম্মানিত অতিথি ছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
আলোচনা অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী। এছাড়া সম্মানিত অতিথি হিসেবে বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান ভিডিওবার্তায় শুভেচ্ছা জানান।
এদিকে অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে তার দুই কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানার হাতে ‘গান্ধী শান্তি পুরস্কার-২০২০’ তুলে দেন। ভারত সরকার বঙ্গবন্ধুকে মরণোত্তর ‘গান্ধী শান্তি পুরস্কার-২০২০’ পুরস্কারে ভূষিত করে।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আজ আমাদের স্বাধীনতা দিবস। ৫০ বছর আগে এদিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানি জান্তাদের হাতে বন্দি হওয়ার আগ মুহূর্তে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।
তিনি বলেন, অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদি সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে আমাদের আয়োজনকে মহিমান্বিত করেছেন। বাংলাদেশের সরকার, জনগণ, আমার ছোট বোন শেখ রেহানা এবং আমার নিজের পক্ষ থেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে এবং সেদেশের জনগণকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। ভারত সরকার এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি এই শুভ মুহূর্তে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে মর্যাদাশীল ‘গান্ধী শান্তি পুরস্কার-২০২০’-এ ভূষিত করার জন্য। আমি মনে করি, তাকে এ পুরস্কারে ভূষিত করার মাধ্যমে ভারত দক্ষিণ এশিয়ার একজন যোগ্য নেতা এবং গান্ধীজির প্রকৃত অনুসারীকেই সম্মানিত করলো। একই সঙ্গে ভারত সরকার বাংলাদেশের জনগণের জন্য ১০৯টি অ্যাম্বুলেন্স উপহার দিচ্ছে। ভারতের জনগণ সবসময় দলমত নির্বিশেষ বাংলাদেশের পাশে থাকে বলেও প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন।
চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুরসহ সারাদেশে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সকল সরকারি ও বেসরকারি ভবনসমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। দিনের অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, জাতির শান্তি সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনা,করে দুপুরে জুমার নামাজে ও সুবিধামত সময়ে মন্দিরে ও গীর্জায় দোয়া করা হয়। এ ছাড়া হাসপাতাল, জেলখানা ও এতিমখানায় উন্নতমানের খাবার পরিবেশন, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি ভবনে আলোকসজ্জা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী, ঙ্কুক্তিযোদ্ধা ভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শনসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যেদিয়ে দিবসটি পালিত হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গায় গতকাল শুক্রবার সকাল ৬টা ৪ মিনিটে শহীদ হাসান চত্বরে ৩১বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের শুভ সূচনা করা হয়। শহরের কবরী রোডে জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান হক জেয়ার্দ্দার ছেলুন এমপি ও যুগ্মসাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটন পতাকা উত্তোলন করেন। বড় বাজার শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিসৌধে জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার ও পুলিশ সুপার মো. জাহিদুল ইসলাম ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সাজিয়া আফরীন, চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার মেয়র জাহাঙ্গীর আলম মালিক খোকন এবং কাউন্সিলরবৃন্দ, জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষে যুগ্মসাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টেটন এবং দলীয় নেতৃবৃন্দ, আওয়ামী যুবলীগের পক্ষে যুগ্মআহবায়ক জিল্লুর রহমান, জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান কবীর, জেলা আইনজীবী সমিতি সভাপতি আলমগীর হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক তালিম হোসেন, সিভিল সার্জন অফিস, চুয়াডাঙ্গা বিএমএ, রেডক্রিসেন্ট ইউনিট, ডায়াবেটিক সমিতি, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজ, চুয়াডাঙ্গা সরকারি আদর্শ মহিলা কলেজ, একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প, বিসিক, জেলা রেজিস্ট্রার ও সদর সাব রেজিস্ট্রার, প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্র, বিএডিসি শ্রমিক কর্মচারী লীগ-১৯০৩- সিবিএ, টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, প্রাণিসম্পদ অধিদফতর, জাকের পার্টি ছাত্রফ্রন্ট, কৃষি ব্যাংক, চুয়াডাঙ্গা জিমনেসিয়াম, বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশন ও এডাব, বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদ, চুয়াডাঙ্গা জেলা ও সদর উপজেলা কমিটিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠন, সরকারি-বেসরকারি অফিস পুষ্পস্তবক অর্পণ করে। এ সময় মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে দোয়া পরিচালনা করা হয়।
সকাল ৮টায় চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের আয়োজনে চুয়াডাঙ্গা পুরাতন স্টেডিয়ামে সীমিত পরিসরে মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, মার্চপাস্ট ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। চুয়াডাঙ্গা জেলা শিল্পকলা একাডেমির পরিবেশিত জাতীয় সঙ্গীতের তালে তালে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার। এ সময় সঙ্গে ছিলেন চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম। একই সাথে এ অনুষ্ঠানে আগত বিভিন্ন অস্ত্রধারী বাহিনী, বিএনসিসি, রোভার, স্কাউট, শিশু-পরিবার ও গার্লস গাইডদের কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন এবং বাহিনীর সদস্যদের সালাম গ্রহণ করেন। চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের আরআই হাবিবুর রহমান কাজী ও দু’জন প্যারেড পাইলট সার্জেন্ট মোকলেস এবং সুজাতের গার্ড অব অনারের মাধ্যমে কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার ও পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম।
এরপর স্টেডিয়ামে আগত সকলের উদ্দেশে এবং ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০১তম জন্মবার্ষিকী ও মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার বক্তব্য রাখেন। সকাল ১০টায় জেলা শিশু একাডেমি প্রাঙ্গণে শিশুদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১১টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমির মুক্তমঞ্চে মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার। বিশেষ অতিথি ছিলেন চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গা পৌর মেয়র জাহাঙ্গীর আলম মালিক খোকন, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নুরুল ইসলাম মালিক, কমান্ডার আবু হোসেন, বীরপ্রতীক সাইদুর রহমান, চুয়াডাঙ্গা অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মনিরা পারভীন, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ সাদিকুর রহমান। বিকেলে চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে দোয়া, আলোচনাসভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত ওই সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন। বিকেল ৩টায় চুয়াডাঙ্গা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে মহিলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে আলোচনাসভা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতার মধ্যে ছিলো বালিশ বদল, উল্টা দৌড়, গোলপোস্টে বল কিক, ১০০মি. দৌড়সহ বিভিন্ন খেলাধুলা। খেলা শেষে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সৈয়দা তাহমিনা বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার পতœী শারমিন মুস্তারী, পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের সভাপতি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মনিরা পারভীন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সাজিয়া আফরিন, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার পতœী জান্নাতআরা কলি। আরও উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইসরাত জাহান, জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল ফেরদৌস, সুরাইয়া মমতাজ, জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও মহিলা ক্রীড়া সংস্থার নির্বাহী সদস্য নুরুন্নাহার কাকুলী, সদর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সাহাজাদী মিলি, জীবননগর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আয়শা সুলতানা লাকী, মহিলা ক্রীড়া সংস্থার যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক দিলরুবা খুকু, নির্বাহী সদস্য কাবেরী করিম সূর্বনা, রুমানা পারভীন, নাবিলা রুকসানা ছন্দা, রাফিয়া খাতুন, ঝিনুক মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সামসুন্নাহার শিলা, কাবেরী করিম সূর্বনা, রুমানা পারভীন, নাবিলা রুকসানা ছন্দা, রাফিয়া খাতুন, ঝিনুক মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শারীরিক শিক্ষা শামসুন্নাহার শিলা, জেলা প্রশাসক কন্যা তনয়া কথা প্রমুখ। বিকেল সাড়ে ৩টায় চুয়াডাঙ্গা পুরাতন স্টেডিয়ামে প্রীতি ফুটবল প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ও চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠিত খেলায় অংশগ্রহণ করে মুক্তিযোদ্ধা একাদশ, জেলা প্রশাসন একাদশ, সাংবাদিক একাদশ ও চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা একাদশ। এছাড়া চুয়াডাঙ্গার প্রাক্তন খেলোয়াড় ও বর্তমান খেলোয়াড়দের মধ্যেও একটি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতা শেষে চুয়াডাঙ্গা পৌরসভার মেয়র জাহাঙ্গীর আলম মালিক খোকনের সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সাজিয়া আফরিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রশাসন আবু তারেক, এনডিসি আমজাদ হোসেন ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুর রহমান। এ ছাড়া জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ। খেলা পরিচালনায় সহায়তা করেন পৌরসভার প্রধান সহকারী আসাবুল হক, লালমিয়া, খুশবু ও জাহাঙ্গীর আলম। সন্ধ্যা ৭টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমির মুক্তমঞ্চে ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের তাৎপর্য এবং দেশের উন্নয়ন অগ্রগতি’ শীর্ষক আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামী যুবলীগের উদ্যোগে সূর্যদ্বয়ের সাথে সাথে শহীদ বেদিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করে তারা। পুষ্পার্ঘ অর্পণ শেষে শহীদদের আত্মার শান্তি কামনা করে দোয়া পরিচালনা করা হয়। পরে, সকাল ৭টায় জেলা আওয়ামী যুবলীগের কার্যালয়ের সামনে জাতীয় সঙ্গীতের সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন জেলা আওয়ামী যুবলীগের যুগ্মআহ্বায়ক জিল্লুর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী যুবলীগ সদস্য আজাদ আলী, হাফিজুর রহমান হাপু, অ্যাড. তোসলিম উদ্দিন ফিরোজ, আলমগীর আজম খোকা, যুবলীগ নেতা পিরু মিয়া, মাসুদার রহমান মাসুম, বিপ্লব হোসেন, আল ইমরান শুভ, রামীম হাসান সৈকত, শেখ রাসেল, টুটুল, জাকির, হিরা, লোকমান, কবির, সজল, কৃষকলীগ নেতা মহশিন রেজা প্রমুখ।
চুয়াডাঙ্গা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেদারগঞ্জ নতুন বাজারস্থ প্রধান কার্যালয়ের সামনে গতকাল শুক্রবার সকাল ৭টা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে মাল্যদানসহ জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। জেলা আওয়ামী লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগ ও কৃষকলীগের নেতাকর্মীরা। এরপর চুয়াডাঙ্গা জেলার কেন্দ্রীয় স্মৃতিসৌধে সকল শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন নেতাকর্মীরা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুল হক বিশ্বাস, সাবেক যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. শফিকুল ইসলাম শফি, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাড. আব্দুল মালেক, জেলা কৃষকলীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক মো. দীপন, পৌর কৃষকলীগের আহ্বায়ক আব্দুল মতিন দুদু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্মআহ্বায়ক মতিয়ার রহমান মতি, চুয়াডাঙ্গা পৌর মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদিকা মাসুমা আক্তার, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জানিফ, সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের ১নং যুগ্মআহ্বায়ক কাউন্সিলর মাফিজুর রহমান মাফি প্রমুখ। বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি চুয়াডাঙ্গা ইউনিটের উদ্যোগে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার বাদ আসর রেডক্রিসেন্ট ইউনিট কার্যালয়ে এ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এদিকে, রেডক্রিসেন্ট ইউনিটের চেয়ারম্যান শেখ সামসুল আবেদীন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ায় তার জন্য দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। দোয়া পরিচালনা করেন বায়তুল আমান জামে মসজিদের পেশইমাম আব্দুল মজিদ। এ সময় রেডক্রিসেন্ট ইউনিটের ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাড. সোহরাব হোসেন, কার্যনির্বাহী সদস্য অ্যাড. রফিকুল ইসলাম, অ্যাড. এমএম শাহজাহান মুকুল, অ্যাড. শফিকুল ইসলাম, আসাদুজ্জামান কবীর, হাবিবুল্লাহ জোয়ার্দ্দার ছটি, জিল্লুর রহমান ও বিলকিস জাহান, ইউনিট অফিসার গৌর চন্দ্র বিশ্বাস এবং যুব রেডক্রিসেন্টের সদস্য ও আজীবন সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, কেন্দ্র কর্মসূচির অংশ হিসেবে পতাকা র‌্যালির আয়োজন করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখা। শুক্রবার বিকেল সোয়া ৫টায় দৌলাতদিয়াড়স্থ জেলা কার্যালয় থেকে র‌্যালিটি শুরু হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহীদ হাসান চত্বরে এসে সমাবেশ করে। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখার সভাপতি হাসানুজ্জামান সজিব, সেক্রেটারি তুষার ইমরান, আলমডাঙ্গা থানা শাখার সেক্রেটারি মাও. আকরাম হুসাইন, দামুড়হুদা থানা শাখার সভাপতি এনামুল কবীর জিপসী, জীবননগর থানা শাখার সভাপতি মাও. আবদুল ওয়াদুদ, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের জেলা সেক্রেটারি মাও. সাইফুল ইসলাম, ইসলামী যুব আন্দোলনের জেলা সভাপতি মাও. মুহাম্মদ আলী, ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্রআন্দোলনের জেলা সভাপতি মুহাম্মদ জামাল উদ্দীন প্রমুখ। দোয়া পরিচালনা করেন মাও. জহুরুল ইসলাম আজিজী।
ডিঙ্গেদহ প্রতিনিধি জানিয়েছে, চুয়াডাঙ্গা শঙ্করচন্দ্র ইউপি হলরুমে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে দোয়া ও খাদ্য বিতরণ করা হয়। গতকাল শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শঙ্করচন্দ্র ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহাদত হোসেন, শঙ্করচন্দ্র ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হাজি সোহরাব হোসেন, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মতিয়ার রহমান, ইউপি সচীব ফয়জুর রহমান প্রমুখ। এছাড়াও সোহরাওয়ার্দী স্মরণী বিদ্যাপীঠে ফ্রি চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন। মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন শংকরচন্দ্র ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমান প্রমুখ।
অপরদিকে ডিঙ্গেদহ সোহরাওয়ার্দ্দী স্মরণী বিদ্যাপীঠ, ডিঙ্গেদহ বালিকা বিদ্যালয়ে দোয়া ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়।
বেগমপুর প্রতিনিধি জানিয়েছেন, চুয়াডাঙ্গার হিজলগাড়ী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন। প্রধান অতিথি ছিলেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি সাইফুল আজম মিন্টু। সহকারী প্রধান শিক্ষক আলী হোসেনের উপস্থাপনায় উপস্থিত ছিলেন নেহালপুর ইউনিয়ন আ.লীগের আহবায়ক মোবারক হোসেন, কমিটির সদস্য মিল্টন বিশ্বাস, আওয়াল হোসেন, আলী কদর মেম্বর, রমজান আলী প্রমুখ।
সরোজগঞ্জ প্রতিনিধি জানিয়েছেন, সরোজগঞ্জ তেতুল শেখ কলেজ আয়োজিত অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ মারফুল হক। প্রধান অতিথি ছিলেন কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও তেতুল শেখ কলেজ ও ছাদেমান নেছা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা আলোর মানুষ হাজি আব্দুল্লাহ শেখ, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক শওকত আলী, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য জালাল উদ্দিন মহর প্রমুখ। ছাদেমান নেছা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের উদ্যোগে আলোচনাসভা ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা হয়েছে। এছাড়া বদরগঞ্জ আলিয়ারপুর আজিজ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের আলোচনাসভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি হাজি মোতালেব হোসেন। প্রধান অতিথি ছিলেন কুতুবপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান শাখাওয়াত হোসেন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন শিক্ষক সাইফুল ইসলাম স্বপন।
আলমডাঙ্গা ব্যুরো জানিয়েছে, আলমডাঙ্গায় থানা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রত্যুষে ৩১বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচির শুভসূচনা করা হয়। সকল সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, সকাল ৭টায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে, শহীদ মাজারে এবং আলমডাঙ্গা বধ্যভূমিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয় উপজেলা চেয়ারম্যান আইয়ুব হোসেন ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার পুলক কুমার ম-ল ও আলমডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ আলমগীর হোসেনের নেতৃত্বে। এরপর সকাল ৮টায় আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় সঙ্গীতের তালে তালে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান আইয়ুব হোসেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার পুলক কুমার ম-ল ও আলমডাঙ্গা থানা অফিসার ইনচার্জ আলমগীর কবীর। সকাল সাড়ে ৮টায় বাংলাদেশ পুলিশ, আনসার ও ভিডিপি, সিভিল ডিফেন্স, স্কাউটের কুচকাওয়াজ প্রদর্শিত হয়। অনুরূপে, আলমডাঙ্গা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড সম্মিলিত ও পৃথক কর্মসূচি পালনের মধ্যদিয়ে দিনটি পালন করেন। সকাল ৭টায় বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নেতৃত্বে শহীদ মাজারে পুষ্পমাল্য অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ করা হয়। মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলে মুক্তিযোদ্ধা সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীর পরিবেশনায় জাতীয় সঙ্গীতের তালে তালে জাতীয় ও মুক্তিযুদ্ধের পতাকা উত্তোলন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আইয়ুব হোসেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার পুলক কুমার ম-ল, অফিসার ইনচার্জ আলমগীর কবীর, বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. সাহাবুদ্দিন আহমেদ সাবু, বীর মুক্তিযোদ্ধ অ্যাড. আব্দুর রশিদ মোল্লা, বীর মুক্তিযোদ্ধ অগ্নিসেনা খ্যাত মঈনুদ্দীন আহমেদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধ শেখ নূর মোহাম্মদ জকুস প্রমুখ। বেলা ১০টায় মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার পুলক কুমার ম-লের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান আইয়ুব হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাড. সালমুন আহমেদ ডন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কাজী মারজাহান নিতু, উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি হুমায়ন কবীর, আলমডাঙ্গা থানা অফিসার ইনচার্জ আলমগীর কবীর, বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. সাহাবুদ্দিন আহমেদ, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাড. আব্দুর রশিদ মোল্লা, বীর মুক্তিযোদ্ধা অগ্নিসেনা মইন উদ্দীন, বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নুরুজ্জামান লাল্টু, বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ নূর মোহাম্মদ জকু। সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব শামীম রেজার উপস্থাপনায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ইয়াকুব আলী মাস্টার, সহসভঅপতি মজিবুর রহমান, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকতা আবদুল্লাহিল কাফি, উপজেলা কৃষি অফিসার হোসেন শহীদ সোহরওয়ার্দী, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সোহেল রানা প্রমুখ। সন্ধ্যায় মুক্তিযোদ্ধা মঞ্চে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অপরদিকে, আলমডাঙ্গা পৌরসভার পক্ষ থেকেও পৃথকভাবে দিনটি উপলক্ষে নানা কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। প্রত্যুষে শহরের প্রধান প্রধান সড়কের জাতীয় ও পৌরসভার পতাকা উত্তোলন, ভোর সাড়ে ৬টায় পৌর ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন পৌর মেয়র উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি হাসান কাদির গনু। সকাল ৭টায় মেয়রের নেতৃত্বে শহীদ মাজারে ও বধ্যভূমির বেদীতে পুষ্পার্পণ ও ফাতেহা পাঠ কয়া হয়, সাড়ে ৮টায় উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত আয়োজনমালায় অংশগ্রহণ করেন।
বিকেলে আলমডাঙ্গা পৌরসভা কর্তৃক ফুটবল খেলার আয়োজন করা হয়। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র হাসান কাদির গনুর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার পুলক কুমার ম-ল। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি হুমায়ন কবীর, বণিক সমিতির সভাপতি আরেফিন মিয়া মিলন, সম্পাদক কামাল হোসেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এনামুল হক, উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা (ওসিএলএসডি) মিয়ারাজ হোসাইন প্রমুখ।
এদিকে উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, মৎস্যজীবী লীগ, বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদ, মহিলা লীগ ও ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে দিনটি উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়। সকাল সাড়ে ৭টায় দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন শেষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ, শহীদ মাজারে পুষ্পস্তবক প্রদান ও ফাতেহা পাঠ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পৌর মেয়র হাসান কাদির গনু, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাড. আব্দুল রশিদ মোল্লা, জেলা আওয়ামী লীগ বন ও পরিবেশ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম খান, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য শাহ আলম, আবু মুসা, সিরাজুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ইয়াকুব আলী মাস্টার, যুগ্মসম্পাদক কাজী রবিউল, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, সম্পাদক মতিয়ার রহমান ফারুক, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আমিরুল ইসলাম মন্টু চেয়ারম্যান প্রমুখ।
আলমডাঙ্গায় আত্মপ্রকাশ ঘটলো বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদের। নবগঠিত এ সংগঠন সকালে শহীদ মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণসহ কিছু কর্মসূচি পালন করে। কাজী রবিউল ইসলামকে আহবায়ক ও প্রভাষক আমিরুল ইসলাম জয়কে সদস্য সচিব করে এ কমিটি গঠন করা হয়। এদিকে আলমডাঙ্গা বণিক সমিতির সভাপতি আরেফিন মিয়া মিলন ও সম্পাদক কামাল হোসেনের নেতৃত্বে সকালে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, শহীদ মাজারে পুষ্পমাল্য অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ করা হয়। অনুরূপভাবে আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগ যথাযোগ্য মর্যাদায় দিনটি পালন করেছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা মৎস্যজীবী লীগের আহ্বায়ক শাহাবুল হক, উপজেলা মৎস্যজীবী লীগের আহ্বায়ক রেজাউল হক, যুগ্মআহ্বায়ক রোকনুজ্জামান পল্টু, সদস্য সচিব জিল্লুর রহমান, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আবু ডালিম, মিলন প্রমুখ।
আলমডাঙ্গা উপজেলা ও পৌর যুবলীগ যথাযোগ্য মর্যাদায় দিনটি পালন করেছে। সকালে দলীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন শেষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্যার্পণ, শহীদ মাজারে পুষ্পার্ঘ প্রদান ও ফাতেহা পাঠ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন সোনাহার, যুগ্মআহ্বায়ক তাফসির আহমেদ মল্লিক লাল, পৌর যুবলীগের আহ্বায়ক আসাদুল হক ডিটুসহ উপজেলা ও পৌর যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সকল সদস্য।
আলমডাঙ্গা সরকারি ডিগ্রি কলেজ, আলমডাঙ্গা মহিলা ডিগ্রি কলেজ, পল্লি বিদ্যুৎ, কাপড়পটি সমিতি, আলমডাঙ্গা ওজোপাড়িকো, পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় পৃথক কর্মসূচি পালনের মাধ্যমে দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করে।
ভালাইপুর প্রতিনিধি জানিয়েছেন, আলমডাঙ্গার চিৎলায় আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আলোচনাসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। গতকাল সন্ধ্যা ৭টার দিকে রুইথনপুর গ্রামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগ নেতা বকুল মিয়া। প্রধান অতিথি ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্মআহবায়ক রবিউল ইসলাম মল্লিক। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুজ্জামান নান্টু, নুরুল ইসলাম, সহসভাপতি তহিদুল ইসলাম মল্লিক প্রমুখ। এদিকে গোকুলখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আলোচনাসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন গোকুলখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি রবিউল হক ঝন্টু।
মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি জানিয়েছেন, আলমডাঙ্গার জেহালা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আলোচনাসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসানউজ্জামান হান্নানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাবেক পৌর মেয়র রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটন। বিশেষ অতিথি ছিলেন আলমডাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পৌর মেয়র হাসান কাদির গনু, জেলা আওয়ামী লীগের নির্বাহী সদস্য চুয়াডাঙ্গা জজ কোর্টের পিপি বেলাল হোসেন, ভারপ্রাপ্ত জিপি আশরাফুল ইসলাম, খাদিমপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোজাহিরুর রহমান জোয়ার্দ্দার লোটাস। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেহালা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হান্নান মাস্টার।
এদিকে আলমডাঙ্গার খাদিমপুরের লক্ষ্মীপুরে যুবসমাজের উদ্যোগে খেলাধুলা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খাদিমপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোজাহিদুর রহমান জোয়ার্দ্দার লোটাস, জেহালা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসানুজ্জামান হান্নান, খাদিমপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আমিরুল ইসলাম, ইউনুস আলী, সাংংগঠনি সম্পাদক শিপন আলী মেম্বার প্রমুখ।
বাড়াদী প্রতিনিধি জানিয়েছেন, আলমডাঙ্গার বাড়াদী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়। গতকাল শুক্রবার বেলা ৪টার দিকে গোপালনগর বাজারে আয়োজিত অনষ্ঠানে রেজাউল মেম্বারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন অহিদুজ্জামান ফতে। আকরামুল হকের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন ইখতিয়ার উদ্দিন মাস্টার, শেখ আমিনউদ্দীন মেম্বার, মো. আব্দুল মজিদ প্রমুখ।
জীবননগর ব্যুরো জানিয়েছে, জীবননগরে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের কর্মসূচি পালিত হয়েছে। চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য হাজি আলী আজগার টগর আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন। সুর্যোদ্বয়ের সাথে সাথে ৩১বার তোপধ্বনির মধ্যদিয়ে দিবসের সূচনা করা হয়। এ সময় সকল সরকারি ও বে-সরকারি ভবনসমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও সকাল ৮টায় জীবননগর পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। হাজি আলী আজগার টগর এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, প্যারেডে সালাম গ্রহণ, প্যারেড পরিদর্শন ও শে^ত কপোত উড়ান। এ সময় তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনা করেন। ইউএনও এসএম মুনিম লিংকনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান হাজি হাফিজুর রহমান ও থানা অফিসার ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম মোর্তুজা, জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি মোশারফ হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, পৌর মেয়র রফিকুল ইসলাম, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আ. সালাম ঈশা, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়াম্যান আয়েসা সুলতানা লাকিসহ রাজনৈতিক নেতৃবর্গ, মুক্তিযোদ্ধাগণ, সরকারি বিভিন্ন দফতরের প্রধানগণ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ ও সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। কুচকাওয়াজে বাংলাদেশ পুলিশ, বিএনসিসি, আনসার ও ভিডিপি, ফায়ার সার্ভিস, জীবননগর সরকারি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের কাব স্কাউটস দল ও হাসাদাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের স্কাউটস দল অংশগ্রহণ করে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি আলী আজগার টগরসহ অন্য অতিথিদের ক্রেস্ট দিয়ে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। বেলা ১১টায় মাধবখালীর নো-ম্যান্স ল্যান্ডে অবস্থিত ৬ শহীদের কবরে ফাতেহা পাঠসহ পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, দুপুর ১২টায় উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের হলরুমে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান ও ‘জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক নেতৃত্ব এবং সুবর্ণজয়ন্তীতে দেশের উন্নয়ন’ বিষয়ক আলোচনাসভা, দুপুরে মসজিদে জাতির শান্তি ও অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত, হাসপাতাল ও এতিমখানায় উন্নতমানের খাবার পরিবেশন, বিকেলে ক্রীড়া প্রতিযোগিতাসহ ফুটবল খেলা, সন্ধ্যায় সরকারি ভবনসমূহে আলোকসজ্জাকরণ, সন্ধ্যা ৬টায় মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শন ও রাত ৮টায় পুরস্কার বিতরণ এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। হাসাদাহ মডেল মাদরাসায় অধ্যক্ষ মাও. আক্তারুজ্জামানের সভাপতিত্বে আলোচনাসভা ও শহীদের জন্য বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা উপজেলার অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে নানা কর্মসূচি পালন করা করা হয় বলে খবর পাওয়া গেছে।
আন্দুলবাড়িয়া প্রতিনিধি জানিয়েছেন, জীবননগরের আন্দুলবাড়িয়ায় সকাল ৮টায় আন্দুলবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের অস্থায়ী কার্যলয় আজাদ পাবলিক লাইব্রেরি চত্বরে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ, র‌্যালি, আলোচনাসভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিকেলে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি আশাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়। প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকাস্থ চুয়াডাঙ্গা জেলা সমিতির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজি সিরাজুল হক সিরাজ। বিশেষ অতিথি ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ মুজিবুর রহমান ফন্টু, মহাসীন আলী খান, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ মহিদুল ইসলাম মধু প্রমুখ। দোয়া পরিচালনা করেন, মাওলানা নুরুজ্জাঁমান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক শেখ আতিয়ার রহমান। অপরদিকে আন্দুলবাড়িয়া সাহিত্য পরিষদে সভানেত্রী আশরাফুন নাহার শোভার সভাপতিত্বে আলোচনা ও কবিতা আবৃতি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এছাড়াও আন্দুলবাড়িয়া কলেজ, বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বহুমুখী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আশরাফিয়া আলিম মাদারাসা ও জাগো আন্দুলবাড়িয়ার উদ্যোগে নানা কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
দামুড়হুদা অফিস জানিয়েছে, দামুড়হুদায় উপজেলা পরিষদস্থ জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়। সকাল ৮টায় নাটুদাহ আট শহীদ বেদীতে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করা হয়। পূষ্পার্ঘ অর্পণ শেষে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের রুহের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। সকাল ৯টায় দামুড়হুদা স্টেডিয়ামে দামুড়হুদা উপজেলা চেয়ারম্যান আলি মুনছুর বাবু, উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিলারা রহমান ও দামুড়হুদা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল খালেক পতাকা উত্তোলন, অভিবাদন গ্রহণ শেষে কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন। বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুদীপ্ত কুমার সিংহ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সিরাজুল আলম ঝন্টু, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সাহিদা খাতুন এ সময় উপস্থিত ছিলেন। বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে মুক্তমঞ্চে উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিলারা রহমানের সভাপতিত্বে বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ ও প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা জানানো হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন দামুড়হুদা উপজেলা চেয়ারম্যান আলি মুনছুর বাবু। বিশেষ অতিথি ছিলেন দামুড়হুদা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক চুয়াডাঙ্গা জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসক মাহফুজুর রহমান মনজু, বীর মুক্তিযোদ্ধা কমরেড সহিদুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ মজনুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা রুস্তম আলী, আছির উদ্দীন প্রমুখ। বিকেলে প্রীতি ফুটবল প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। সন্ধ্যায় উপজেলা উপজেলা পরিষদ চত্বরের মুক্তমঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় জমকালো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন দামুড়হুদা উপজেলা সমবায় অফিসার হারুন-অর-রশিদ। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন নাজির ওমর ফারুক।
এদিকে, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ইউনিয়ন আ.লীগের আয়োজনে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে র‌্যালি ও আলোচনাসভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আ.লীগের সভাপতি সিরাজুল আলম ঝন্টু, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহিদা খাতুন, দামুড়হুদা উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হযরত আলি, উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক অ্যাড.আবু তালেব, সাবেক মেম্বার মো ইউসুফ আলি খাঁন, আ.লীগ নেতা মমিনুল ইসলাম, আবুল হাশেম, ইমতিয়াজ হোসেন, হয়রত আলী প্রমুখ। অনুষ্ঠানটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন দামুড়হুদা সদর ইউনিয়ন আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিউল কবির ইউসুফ।
এদিকে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দামুড়হুদা সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালি শেষে স্থানীয় ডাকবাংলো চত্বরে দামুড়হুদা সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। দামুড়হুদা সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জেলা পরিষদ সদস্য শফিউল কবীর ইউসুফের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগ নেতা আবু তালেব, হযরত আলী, যুবলীগ নেতা হযরত আলী, ছাত্রলীগ নেতা এমএ করীম প্রমুখ।
ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি জানিয়েছেন, কার্পাসডাঙ্গায় গতকাল শুক্রবার সকাল ৭টায় কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়ন আ.লীগের দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনসহ জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়। পরে আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়। সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি শফিউর রহমান। ইউনিয়ন আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক নজির আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আ.লীগের সহসভাপতি সহিদুল হক, ইউনিয়ন আ.লীগের সহসভাপতি আব্দুল কাদের বিশ্বাস, যুগ্মসম্পাদক আব্দুস সালাম বিশ্বাস, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুর রহমান মুকুল প্রমুুখ। দোয়া পরিচালনা করেন যুবলীগ নেতা ওমিদুল হক।
অপরদিকে কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে ইউপি হলরুমে ইউপি চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য খলিলুর রহমান ভুট্টোর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার সাকী সালাম।
কার্পাসডাঙ্গা প্রতিনিধি জানিয়েছেন, দামুড়হুদার আটকবরে নাটুদাহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শহীদ সমাধিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন দলীয় নেতাকর্মীরা। পরে আটশহীদ কমপ্লেক্স ভবন প্রাঙ্গণে আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হামিদুল্লাহ বিশ্বাস। বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম, আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল্লাহ, আব্দুল মালেক, আবু সামা, সাবেক প্যানেল চেয়ারম্যান কলিমুল্লাহ প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুস সালাম।
মেহেরপুর অফিস জানিয়েছে, মেহেরপুরে দিনের প্রথম প্রহরে শহীদ সামসুজ্জোহা পার্কে ৩১বার তোপধ্বনির মধ্যদিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। শুক্রবার সুর্যোদয়ের সাথে সাথে কলেজ মোড়ে অবস্থিত শহীদ স্মৃতিসৌধে এবং জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর গণকবরে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ও জেলা প্রশাসকের পক্ষে জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ মুনসুর আলম খান পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন। এরপরে পুলিশ সুপারের পক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জামিরুল ইসলাম ও জেলা পরিষদের পক্ষে চেয়ারম্যান আলহাজ গোলাম রসুল, সকালে মেহেরপুর জেলা আওয়ামী যুবলীগের আহ্বায়ক ও পৌর মেয়র মাহফুজুর রহমান রিটনের নেতৃত্বে একটি র‌্যালি মেহেরপুর পৌর কমিউনিটি সেন্টারের থেকে শুরু করে প্রধান সড়ক হয়ে কলেজ মোড়ে গিয়ে শহীদ স্মৃতিসৌধের পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন। এ সময় জেলা যুবলীগের যুগ্মআহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম পেরেশান, প্যানেল মেয়র শাহিনুর রহমান রিটন, যুবলীগের সদস্য ইউনুস আলীসহ যুবলীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। মেহেরপুর শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাড. ইয়ারুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি র‌্যালি মেহেরপুর শহরের হোটেল বাজার মোড় থেকে শুরু করে প্রধান সড়ক হয়ে কলেজ মোড়ে গিয়ে শহীদ স্মৃতিসৌধের পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন। এছাড়া সদর উপজেলা পরিষদের পক্ষে নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদুল আলমসহ পর্যায়ক্রমে জেলা আওয়ামী লীগ, মেহেরপুর লেডিস ক্লাবের পক্ষে জেলা প্রশাসক পতিœ ও লেডিস ক্লাবের সভানেত্রী কুহিনুর বেগম, স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষে সিভিল সার্জন ডা. নাসির উদ্দিন, মেহেরপুর সরকারি কলেজের পক্ষে অধ্যক্ষ প্রফেসর শফিউল আলম সরদার, মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন আব্দুল মালেক, সরকারি মহিলা কলেজের পক্ষে প্রফেসর রফিকুল ইসলাম জেলা বিএনপি ও সরকারি-বেসরকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক সংগঠন, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন পুষ্পমাল্য অর্পণ করে। এছাড়া সকাল ৮টায় মেহেরপুর স্টেডিয়ামে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে আনুষ্ঠানিকভাবে দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ মুনসুর আলম খাঁন। এ সময় সেখানে শান্তির প্রতীক কবুতর ও রঙিন বেলুন উড়ান হয়। একইস্থানে মার্চপাস্ট শেষে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। দুপুরে মেহেরপুর জেলা শিল্পকলা একাডেীি মিলনায়তনে মক্তিযুদ্ধে শহীদ/আত্মদানকারী/যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেয়া হয়। জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ মুনসুর আলম খানের সভাপতিত্বে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জুমের মাধ্যমে প্রধান অতিথি ছিলেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুজন দাশগুপ্ত সঞ্চালনায় আলোচনাসভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামিরুল ইসলাম, প্রফেসর হাসানুজ্জামান মালেক, পিপি পল্লব ভট্টাচার্য, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুল হালিম, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক, ইদ্রিস আলী প্রমুখ। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ফুলের শুভেচ্ছা জানানো হয়।
মুজিবনগর প্রতিনিধি জানিয়েছেন, মুজিবনগরে প্রথম প্রহরে স্মৃতিসৌধে ৩১বার তোপধ্বনির মধ্যদিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। সকাল সাড়ে ৬টায় মুজিবনগর স্মৃতিসৌধে ও সকাল ৭টায় মুজিবনগর মানচিত্র চত্বরে অবস্থিত বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুজন সরকার ও উপজেলা চেয়ারম্যান জিয়াউদ্দীন বিশ্বাস, মুজিবনগর থানার ওসি আব্দুল হাশেম, মুজিবনগর টুরিস্ট পুলিশ, উপজেলা আনসার ভিডিপি, বীর মুক্তিযোদ্ধা আহসান আলী, পৃথক পৃথকভাবে মুজিবনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জিয়াউদ্দীন বিশ্বাস ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও মহাজনপুর ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ আমাম হোসেন মিলু, বাগোয়ান ইউপি চেয়ারম্যান আয়ুব হোসেন, মোনাখালী ইউপি চেয়ারম্যান মফিজুর রহমান মফিজ, দারিয়াপুর ইউপি চেয়ারম্যান তৈফিকুল বারী বকুল, ছাত্রলীগের সভাপতি হেলাল উদ্দীন, লাভলু, সাধারণ সম্পাদক শেখ সাকিব, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি বেলাল হাসান বিপ্লব, সাধারণ সম্পাদক শাহ্ আরিফ, উপজেলা মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি মহাসিন আলী, ইউপি মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি আলিবুদ্দীন, উপজেলা যুব মহিলা লীগের সভাপতি তকলিমা খাতুন, সাধারণ সম্পাদিকা তহমিনা খাতুন, মুজিবনগর স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এছাড়া মুজিবনগর সরকারি ডিগ্রি কলেজ, মুজিবনগর আদর্শ মহিলা কলেজ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, আমার বাড়ি আমার খামার পল্লী সমাবায় ব্যাংক, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসসহ স্বস্ব প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের কর্মকর্তারা মুজিবনগর স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন। সকাল ৮টায় মুজিবনগর উপজেলা চত্বরে উপজেলা চেয়ারম্যান জিয়াউদ্দীন বিশ্বাস আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এ সময় তার পাশে ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুজন সরকার ও মুজিবনগর থানা ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুল হাশেম। উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুজন সরকার মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের সংক্ষিপ্ত ভাষণ দেন। পরে তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা, পুলিশ, আসনার-ভিডিপি, বিএনসিসিসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, বাংলাদেশ স্কাউট, রোভার স্কাউট দলের বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াচ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন এবং সালাম গ্রহণ করেন। প্রতিযোগিতা শেষে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন উপজেলা চেয়ারম্যান জিয়াউদ্দীন বিশ্বাস। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুজন সরকার, থানা ইনচার্জ ওসি আব্দুল হাশেম, সহকারী কমিশনার মুজিবনগর (ভূমি) নাজমুল আলম, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ রফিকুল ইসলাম মোল্লা প্রমুখ। বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলা হলরুমে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুজন সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান জিয়াউদ্দীন বিশ্বাস। এ সময় উপজেলার মুক্তিযোদ্ধারা অংশগ্রহণ করেন। দুপুরে সিএসএস-মাইক্রোফাইন্যান্স প্রোগ্রাম, যশোর জোনের আয়োজনে জিনিয়াস প্রি-ক্যাডেট একাডেমি প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গণে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প কর্মসূচি পালন করা হয়। প্রতিষ্ঠানের মুজিবনগর শাখা ব্যবস্থাপক মধুসূধন সরকার ও মেহেরপুর শাখা ব্যবস্থাপক আবুল কালাম আজাদসহ অন্যান্যরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। বিকেল ৩টায় উপজেলা চত্বরে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ উপজেলা প্রশাসন ও সুধীজন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতা শেষে দই দলে সকল খেলোয়াড়বৃন্দদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন।

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More