চুয়াডাঙ্গায় কে কীভাবে করোনায় আক্রান্ত : কার শারীরিক অবস্থা বর্তমানে কেমন

সুস্থতায় স্বস্তি মিললেও অসতর্কতায় বাড়ছে গণহারে সংক্রমণের ঝুঁকি : স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পুনঃপুন তাগিদ
মাহফুজ মামুন: চুয়াডাঙ্গার কোথায় কে কীভাবে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন, কার শারীরিক অবস্থা বর্তমানে কেমন? জেলার কোনদিকে কোন গ্রামে গেলে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি? মহামারি করোনা নিয়ে এরকম প্রশ্নের শেষ নেই। স্বচ্ছল সামর্থ বহু পরিবার নিজেরাই নিজেদের উদ্যোগে ঘরবন্দি রয়েছেন যেমন, তেমনই রুটি রুজি জোগাড়ের তাগিতে বহু মানুষকে বের হতে হচ্ছে পথে। স্বচ্ছল হলেও বহু মানুষ পিছিয়ে পড়ার ঝুঁকি এড়াতে করোনাকে থোড়ায় কেয়ার করে দিব্যি চালিয়ে যাচ্ছেন ব্যবসা বাণিজ্য। ফলে শহরের রাস্তা হাট বাজারে ভিড় কমলেও করোনা সংক্রমণরোধে স্বাস্থ্যবিধি পুরোপুরিভাবে মানা হচ্ছে না। তবে স্বাস্থ্যবিধি মানতে প্রশাসনের নজরদারিতে কমতি নেই। মাস্ক না পরার কারণে প্রতিদিনই জরিমানা করা হচ্ছে অনেকের। আতঙ্ক না হয়ে সতর্ক হওয়ার পুনঃপুনঃ তাগিদ দেয়া হচ্ছে। বলা হচ্ছে, আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হওয়ার সংখ্যা বেশি। মৃত্যুর সংখ্যা নিতান্তই কম। যেহেতু ভাইরাসটি ভয়াবহ ছোঁয়াচে সেহেতু স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চললে সংক্রমণের সংখ্যা বেশামাল হয়ে পড়তে পারে।
চুয়াডাঙ্গা জেলায় শনিবার সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী মোট কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়ছে ১শ’ ৮০ জনে। দুপুর পর্যন্ত সুস্থ হওয়া রোগীর সংখ্যা ১শ’ ১ জন। আক্রান্তদের মধ্যে শনিবারে শনাক্ত হয়েছেন নতুন ৪ জন। এদের মধ্যে মধ্যে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ১ জন ও দামুড়হুদা উপজেলার ৩ জন। নতুন আক্রান্তদের হোম আইসোলেশন ও প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চুয়াডাঙ্গায় নতুন করে ৪ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।
স্বাস্থ্যবিভাগসূত্র বলেছে, চুয়াডাঙ্গায় মূলত ঈদের পর থেকে নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এ সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। প্রথম দিকে আক্রান্তদের অধিকাংশই ঢাকা বা নারায়ণগঞ্জ থেকে বাড়ি ফেরা ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের সদস্যরা। পরে তা ছড়িয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে। দর্শনা পৌরসভার দুটি ওয়ার্ড রেডজোন হিসেবে চিহ্নিত করে লকডাউন করা হয়েছে। করোনা আক্রান্ত হয়ে দর্শনায় নতুন করে একজন মারা গেছেন। তার পরিবারের ৩ জনসহ দর্শনা বাসস্ট্যান্ড এলাকার করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বর্তমানে ৪ জন। শনিবার কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পিসিআর ল্যাবে নতুন নমুনা প্রেরণ করা হয়েছে ১ জনের। এ দিয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলার সদরসহ চারটি উপজেলা থেকে মোট নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১ হাজার ৯শ’ ১ জনের। রিপোর্ট এসেছে সর্বমোট ১ হাজার ৮১৯ জনের। প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশনে রয়েছে ৩১ জন। আর হোম আইসোলেশনে রয়েছেন ৪৬ জন। দর্শনার একজন দিয়ে চুয়াডাঙ্গায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দুজনে। দর্শনায় গত ১ মে মারা যান চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বলদিয়া গ্রামের দাসপাড়ার আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে জাহিদ (২৮)। তার মৃত্যুর পর নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হলে করোনা পজিটিভ আসে।
চুয়াডাঙ্গার চারটি উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে করোনা আক্রান্ত ও সুস্থ হয়েছেন যারা তাদের মধ্যে রয়েছেন, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার: ডিঙ্গেদহ ২৬ আনসার ব্যাটেলিয়ানের আনসার সদস্য ৪ জন পুরুষ, চারজন আনসার সদস্য বর্তমানে ডিঙ্গেদহ ক্যাম্পে আইসোলেশনে রয়েছেন। আলুকদিয়া গ্রামের একজন ব্যাক্তি (৪৩)। তিনি নারায়ণগঞ্জে কর্মরত থাকা অবস্থায় অসুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন। দৌলতদিয়াড়ে ৫৫ বছর বয়সের এক ব্যক্তি। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে কর্মরত ৪৫ বছর বয়সের একজন নার্স। ভেদামারি গ্রামের ৪০ বছর বয়সের একজন কৃষক। ৪৯ বিজিবি যশোরের একজন সুবেদার জ্বর নিয়ে চুয়াডাঙ্গা বিজিবি হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে করোনা পজিটিভ হয়। বিজিবি সদস্যের বাড়ি রংপুর জেলায়। পৌর এলাকার গোরস্তানপাড়ার ৩০ বছর বয়সের একজন নারী আক্রান্ত হয়েছেন। পৌর এলকার হাজরাহাটি গ্রামের ৪০ বছর বয়সের একজন ব্যক্তি ও চুয়াডাঙ্গা পুলিশ লাইনের ২৪ বছর বয়সের একজন কনস্টেবল রয়েছেন। চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার কুলচারা গ্রামের দুজন পুরুষ ও নতুন বাজার কেদারগঞ্জপাড়ার একজন পুরুষ আক্রান্ত হয়েছেন। জাফরপুর গ্রামের স্বামী-স্ত্রী ও দুই শিশু সন্তানসহ একই পরিবারের চারজন করোনা পজিটিভ। এ পরিবারের পুরুষ সদস্য ঢাকার একটি এনজিওতে চাকরি করতেন। দুই শিশুর বয়স ২ ও ৪ বছর। এরা হোম আইসোলেশনে রয়েছে। সিনেমাহলপাড়ার ২৫ বছর বয়সের একজন নারীর রিপোর্ট পজিটিভ আসে। সরোজগঞ্জ মোহাম্মদজুমা গ্রামের ২৩ বছর বয়সের একজন নারী। সদর হাসপাতাল রোডের ও হাটকালুগঞ্জ এলাকার দুই নারী আক্রান্ত হয়েছেন। চুয়াডাঙ্গা কুলচারা গ্রামের ৩২ বছর বয়সের একজন পুরুষ করোনা পজিটিভ। তিনি ঢাকায় গার্মন্টেসে চাকরি করতেন। সুস্থ হয়ে বর্তমানে বাড়ি রয়েছেন। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ৫ জন সুস্থ হয়ে কাজে যোগদান করেছেন। পৌর এলাকার সাদেক আলী মল্লিকপাড়ার এক নারী, সিএন্ডবি পাড়ার দুই ব্যক্তি ও বুজরুকগড়গড়ি পাড়ার একজন সুস্থ হয়েছেন। সদরের ১৬ বছরের এক কিশোরী সুস্থ হয়েছেন। হিজলগাড়ি, বড়শলুয়া, মাখালডাঙ্গার ৫ জন আক্রান্ত ব্যক্তি সুস্থতা পেয়েছেন। মাখালডাঙ্গা গ্রামের করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি সদর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসে কর্মরত ছিলেন। গুলশানপাড়ার ১৯ বছরের এক যুবক ও দৌলতদিয়াড়ের এক নারী সুস্থ হয়েছেন। টেংরামারি খেজুরতলা গ্রামের ৫৫ বছর বয়সের এক নারী। পৌর এলাকার শান্তিপাড়ার ৪১ বছরের এক নারী, দক্ষিণ হাসপাতালপাড়ার সিনিয়র একজন স্টাফ নার্স ও তালতলা পশুহাটপাড়ার এক নারী সুস্থ হয়েছেন। বড়শলুয়া গ্রামের এক নারী ও পুরুষ সদর হাসপাতালের আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন। গুলশানপাড়ার বাসিন্দা ও সদর হাসপাতালের প্যাথোলজিস্ট সুস্থ হয়েছেন। কানাপুকুরপাড়া ও জেলা হিসাবরক্ষণ অফিসের ৪ জন সদর হাসপাতালে থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন। বেগমপুরের এক বৃদ্ধ ছাড়াও আলোকদিয়া হুচুকপাড়ায় এক নারী চিকিৎসা নিয়েছেন। তিনি ঢাকা থেকে ফিরে আসার পর করোনা শনাক্ত হয়। ডিঙ্গেদহ গ্রামের সদর হাসপাতালের একজন সিনিয়র স্টাফ নার্স করোনা আক্রান্ত হলে তিনি নিজ বাড়িতে থেকে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছেন। হাজরাহাটি, তালতলা পশুহাটপাড়া, বুজরুকগড়গড়ি পাড়ার ৪ জন করোনায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। বুজরুকগড়গড়িপাড়ার ওই নারী ঢাকায় গার্মেন্টেসে চাকরি করতেন। তিনি বাড়ি ফিরে এলে করোনা শনাক্ত হন। পরে সদর হাসপাতালে তিনি চিকিৎসা নেন। তালতলা পশুহাটপাড়ার এক ব্যক্তি ঢাকায় কাজ করতেন। তিনি ঢাকা থেকে চুয়াডাঙ্গায় ফিরে আসেন। এরপর তার স্ত্রী ও সন্তান করোনা আক্রান্ত হন। জেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা করোনা আক্রান্ত হয়ে হোম আইসোলেশনে ছিলেন। বলদিয়া দাসপাড়ার এক যুবক ঢাকায় কাঠমিস্ত্রীর কাজ করতেন। তিনি বাড়ি ফিরে এলে করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা যান। তারপর নমুনা পরীক্ষা করা হলে রিপোর্ট পজিটিভ আসে।
আলমডাঙ্গা উপজেলা: আলমডাঙ্গা উপজেলার স্টেশনপাড়ার ২৫ বছর বয়সের এক নারী। তিনি ঢাকায় গার্মেন্টেসে চাকরি করতেন। বর্তমানে বাড়িতে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। হাড়োকান্দি গ্রামের ১৯ বছর বয়সের এক গৃহবধূ ও ৪৪ বছর বয়সের এক ব্যক্তি, গোবিন্দপুর মাঠপাড়া গ্রামের ৫৭ বছর বয়সের এক ব্যক্তি, চারতলামোড় পাড়ার ৬৬ বছর বয়সের এক বৃদ্ধ, খাদিমপুর গ্রামের ৫০ বছর বয়সের এক ব্যক্তি, বাঁশবাড়িয়া গ্রামের ২৬ বছর বয়সের এক নারী, ঘোষবিলা ও বেলগাছি গ্রামের দুজন পুরুষ, পোয়ামারী গ্রামে একই পরিবারের মা ও তার দুই শিশু সন্তান করোনা পজিটিভ হন। তারা গাজীপুরে থাকতেন। সেখানে তার বাবা নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করতেন। ২১ মে তারা গাজীপুর থেকে গ্রামের বাড়িতে আসেন। ভাংবাড়িয়া গ্রামের ৫০ বছর বয়সের এক নারী, বাড়াদি গ্রামের ৫০ বছরের এক ব্যক্তি যিনি ঢাকায় গার্মেন্টেসে চাকরি করতেন, পোয়ামারি গ্রামের এক নারী যিনি গাজিপুরে গার্মেন্টেসে চাকরি করতেন, হাড়োকান্দি গ্রামের ৪০ বছর বয়সের এক পুরুষ ও বড়পুটিমারি গ্রামের এক নারী, খাদিমপুর গ্রামে পুলিশের এক এসআই, ভাংবাড়িয়া ও বাবুপাড়ার দুজন রয়েছেন এ তালিকায়। আলমডাঙ্গায় একজন নমুনা সংগ্রহকারী, আইলহাস, শিয়ালমারী ও কালিদাসপুর আসাননগর গ্রামের ৩ জন পুরুষ সদস্য, গোকুলখালী গ্রামের ৩৬ বছর বয়সের এক পুরুষ, আলমডাঙ্গার তিন যুবক, কলেজপাড়ার আক্রান্ত দুজন সুস্থ হয়েছেন। এছাড়া আলমডাঙ্গার ৬ জন একই দিনে সুস্থ হয়েছেন। গোকুখালী ক্যাম্পের একজন আনসার সদস্য সুস্থ হয়েছেন। জেলায় প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী থানাপাড়ার ইতালি ফেরত যুবক গত ১৯ মার্চ করোনা শনাক্ত হয়ে সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন। খাদিমপুর, শিয়ালমারী, গোপালনগর ও বটিয়াপাড়া গ্রামের ৪ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। তাদের সবাই ঢাকা থেকে ফিরে নিজ এলাকায় আসেন। ভাংবাড়িয়া গ্রামের এক ব্যক্তি ঢাকা ডিএমপিতে কর্মরত ছিলেন। ছুটিতে তিনি বাড়িতে এলে করোনা শনাক্ত হয়। হোম আইসোলেশনে চিকিৎসা নিয়েছেন। আলমডাঙ্গা শহরের কণা নার্সিং হোমের একজন স্টাফ করোনা আক্রান্ত হয়। নার্সিং হোমে থেকে তিনি সুস্থ হন। আলিয়াটনগর গ্রামের একজন করোনায় আক্রান্ত হন।
দামুড়হুদা উপজেলা: দলিয়ারপুর গ্রামের ৪০ বছর বয়সের একজন কৃষক নিজ বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন। দর্শনা থানার ২৮ বছর বয়সের একজন পুলিশ সদস্য, দামুড়হুদা থানার ৪০ বছর বয়সের এক এএসআই ও ৩২ বছর বয়সের একজন এএসআই, দলিয়ারপুর গ্রামের ৭৫ বছর বয়সের এক বৃদ্ধা, ২৫ বছর বয়সের একজন নারী, নতিপোতা গ্রামের ২৭ বছর বয়সের একজন ড্রাইভার সুস্থ হয়েছেন। তিনি জয়পুরহাট জেলার জজকোর্টে কর্মরত ছিলেন। দর্শনা থানায় ৩০ বছর বয়সের ও ২৯ বছর বয়সের দুজন পুলিশ সদস্য চিকিৎসা নিয়েছেন। দামুড়হুদা থানার ২৭ ও ২৬ বছর বয়সের দুজন পুলিশ কনস্টেবল বর্তমানে সদর হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে। দর্শনা বাসস্ট্যান্ডপাড়ায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া সোলাইমান আলীর ৪৮ বছর বয়সের স্ত্রী ও একই পাড়ার মসজিদের ইমাম। দামুড়হুদা থানার ৪ জন পুলিশ সদস্য ও দুলালনগর ক্যাম্পের ইনচার্জ চিকিৎসা নিয়েছেন। ৫ পুলিশ সদস্য বর্তমানে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। দর্শনা ইসলামপুর এলাকার ২৫ বছর বয়সের একজন পুরুষ, দর্শনা পরানপুর গ্রামের মা ও তার শিশু কন্যা রয়েছেন এ তালিকায়। তারা ঝিনাইদহ জেলার কোটচাঁদপুর উপজেলা থেকে পরানপুর গ্রামে ঈদের আগে মায়ের বাড়িতে বেড়াতে আসেন। সেখানে থাকা অবস্থায় তার মায়ের সংস্পর্শে আসায় তারা দুইজন করোনায় আক্রান্ত হন। তার মা দর্শনা থানায় রাধুনির কাজ করতেন। তিনি দর্শনা থানায় কাজ করার সময় করোনায় আক্রান্ত হন। দর্শনা থানার দুজন পুলিশ সদস্য ও একজন এএসআই, দর্শনা থানার ওসি, দুইজন এএসআই, ৪ জন এসআই ও একজন কনেস্টেবল করোনায় আক্রান্ত হন। দর্শনা থানার এক কনেস্টেবলের স্ত্রী আক্রান্ত হন। তার স্বামীও করোনা পজিটিভ। দর্শনা জিরেট দক্ষিণপাড়ার ৪৭ বছর বয়সের এক ব্যক্তি, দর্শনা মোহাম্মদপুর গ্রামের ৩৩ বছরের এক ব্যক্তি। তিনি ঢাকায় গার্মেন্টেসে চাকরি করতেন। সুস্থ হয়ে বাড়ি রয়েছেন। দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন, চিৎলা হাসপাতালপাড়ার ৪০ বছর বয়সের এক নারী, উজিরপুর গ্রামের ১৪ বছর বয়সের এক কিশোর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। দামুড়হুদা এলাকার ৪১ বছরের এক ব্যক্তি, উজিরপুর, পুরাতন হাউলি ও দামুড়হুদার ৬ জন সুস্থ হয়েছেন। কার্পাসডাঙ্গা মিশনপাড়ার এক নারী ও কলাবাড়ি গ্রামের এক নারী নিজ বাড়িতে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছেন। লোকনাথপুর গ্রামের এক ব্যক্তি সদর হাসপাতালের আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছেন। নাপিতখালি ও উজিরপুর গ্রামের ৪জন সুস্থ হয়েছে। কলাবাড়ি গ্রামের ৫০ বছর বয়সের এক ব্যাক্তি ঢাকায় একটি কোম্পানিতে চাকরি করতেন। তিনি বাড়ি ফিরে এলে করোনা পরীক্ষার পর শনাক্ত হয়। দর্শনা বাসস্ট্যান্ডপাড়ার করোনা ভাইরাসে মারা যাওয়া সোলাইমান আলীর পরিবারের তিনজন নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।
জীবননগর উপজেলা: খয়েরহুদা গ্রামের ম-লপাড়ার ৯ বছরের কন্যা শিশু ও দুজন নারী, আন্দুলবাড়িয়া গ্রামের ২৩ বছর বয়সের একজন পুরুষ সদস্য, পৌর এলাকার ৬নং ওয়ার্ডের ৪০ বছর বয়সের একজন, খয়েরহুদা গ্রামের এক নারী স্বাস্থ্যকর্মী সুস্থ হয়েছেন। কয়া গ্রামের ২৬ বছর বয়সের এক পুরুষ সদস্য, পাঁকা বাজারপাড়ার ও সুবলপুর গ্রামের দুজন, ধোপাখালী গ্রামের ২৫ বছর বয়সী এক যুবক সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বাঁকা গ্রামের একজন ব্যক্তি সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। আন্দুলবাড়িয়া গ্রামের এক নারীকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ঢাকায় রেফার করা হয়েছিলো। কয়েকদিন আগে তিনি ঢাকা থেকে সুস্থ হয়ে গ্রামের বাড়িতে ফিরেছেন।

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More