চুয়াডাঙ্গায় বজ্রপাতে নিহত ১, আহত ২

আফজালুল হক : চুয়াডাঙ্গায় পৃথক বজ্রপাতের ঘটনা ঘটেছে। এতে আশাদুল ইসলাম নামে এক পাওয়ারট্রিলার চালক নিহত হয়েছেন। এছাড়াও এক নারীসহ দুজন আহত হয়েছেন। রোববার (২৩ মে) দুই ঘন্টার ব্যবধানে পৃথক এই বজ্রপাতের এঘটনা ঘটে। নিহত আশাদুল ইসলাম (৪০) চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার শংকরচন্দ্র ইউনিয়নের হানুরবাড়াদি গ্রামের বসতিপাড়ার মৃত আয়ুব আলীর ছেলে।
হানুরবাড়াদি গ্রামের মেম্বার আবুল কালাম আজাদ বলেন, রোববার দুপুর আড়াইটার দিকে সদর উপজেলার শ্রীকোল গ্রামের মৃত লাল মোহাম্মদের ছেলে রবিউল ইসলামের (৬০) আম বাগানে আম পাড়ছিল আশাদুল ইসলাম। এসময় ঝড়, বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হয়। এতে আমবাগানে বজ্রপাত হলে আশাদুল ইসলাম ঘটনাস্থলেই মারা যান। এসময় তার সাথে থাকা রবিউল ইসলামও গুরুতর আহত হয়। স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিতসক আশাদুল ইসলামকে মৃত ঘোষনা করেন এবং রবিউল ইসলামকে প্রাথমিক চিকিতসা দিয়ে বাড়ি পাঠায়।
তিনি আরও বলেন, নিহত আসাদুল ইসলামের দুই ছেলে। আজ বাদ মাগরিব জানাযার নামায শেষে গ্রাম্য করবস্থানে আশাদুল ইসলামের মরদেহ দাফন সম্পন্ন করা হবে। অপর দিকে, চুয়াডাঙ্গার বেলগাছি গ্রামে বজ্রপাতে সাগরিকা খাতুন (৩৫) নামে এক গৃহবধূ আহত হয়েছেন। রোববার (২৩ মে) দুপুর ১ টার দিকে সদর উপজেলার বেলগাছি গ্রামের মাঝেরপাড়ায় এঘটনা ঘটে। আহত সাগরিকা খাতুন ওই এলাকার ফিরোজ হোসেনের স্ত্রী।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, রোববার দুপুরে সাগরিকা খাতুনসহ কয়েকজন নারী সেলিমের বাড়ির ছাদে ধান শুকাচ্ছিলেন। এসময় ছাদের সাথেই থাকা পার্শ্ববর্তী মোজাম্মেল জোয়ার্দ্দারের নারিকেল গাছে বাজ পড়ে। এসময় নারিকেল গাছে দাও দাও করে আগুন জ্বলতে থাকে। এতে সাগরিকা খাতুন জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে এলাকার লোকজন পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলেন।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সাইদুজ্জামান ঢাকা পোষ্টকে বলেন, ওই নারীর অবস্থা শঙ্কামুক্ত। তার জ্ঞান আছে। তিনি আতঙ্কিত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ভর্তি করা হয়েছে।

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More