দুদিনে চুয়াডাঙ্গায় আরও ১৫জন করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগী শনাক্ত

স্টাফ রিপোর্টার: দুদিনে চুয়াডাঙ্গায় আরও ১৫জন করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন। ১৫ জনের মধ্যে ১৩ জনই চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বাসিন্দা। জেলায় সক্রিয় ১০৭জন রোগীর মধ্যে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলারই ৭৫ জন। এর মধ্যে অধিকাংশই জেলা শহরের বিভিন্ন মহল্লার বাসিন্দা।
চুয়াডাঙ্গা স্বাস্থ্য বিভাগের হাতে গতকাল ৪৪ জনের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট আসে। এর মধ্যে কোভিড-১৯ পজেটিভ হয়েছে ৬ জন। এদের মধ্যে গুলশানপাড়ার ২জন, ফেরিঘাট রোডের একজন, মুক্তিপাড়ার একজন। অপর দুজনের মধ্যে একজন দামুড়হুদা উপজেলার জুড়ানপুর মাঝেরপাড়ার ও আলমডাঙ্গা উপজেলার মাদরাসাপাড়ার একজন। গতপরশু বৃহস্পতিবার শনাক্ত হন ১০। এদের মধ্যে গুলশানপাড়ার ২ জন, ঈদগাপাড়ার একজন, জাফরপুরের একজন, সদর হাসপাতালপাড়ার একজন, কোর্টপাড়ার একজন ও খেজুরা গ্রামের ৩ জন। অপরজন দামুড়হুদা উপজেলার হোগলডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা।
চুয়াডাঙ্গা জেলায় এ পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৭শ ৮৯জন। সুস্থ হয়েছেন এক হাজার ৬শ ৩০জন। সক্রিয় রোগী রয়েছেন ১০৭ জন। এদের মধ্যে ১৫ জন সদর হাসপাতালে, ৯০জন বাড়িতে ও দুজন চুয়াডাঙ্গার বাইরে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সক্রীয় ১০৭ জনের মধ্যে ৭৫জন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার। এর মধ্যে ১৪জন হাসপাতালে, ৬০জন বাড়িতে ও একজন ঢাকায়। আলমডাঙ্গা উপজেলার ৪জনই বাড়ি রয়েছেন। দামুড়হুদা উপজেলার ২০ জনের মধ্যে ১৯জন বাড়িতে একজন হাসপাতালে। জীবননগর উপজেলার ৮ জনের মধ্যে ৭ জন বাড়িতে। একজনকে ক’দিন আগেই রেফার করা হয়েছে। তিনি চুয়াডাঙ্গার বাইরে চিকিৎসাধীন বলে জানা গেছে। গতকাল শুক্রবার নতুন নমুনা নেয়নি চুয়াডাঙ্গা স্বাস্থ্য বিভাগ।
নোভেল করোনা ভাইরাস ভয়াবহ আকারে সংক্রমিত হচ্ছে। দেশে ঢিলে ঢালা লকডাউন চলছে। আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে সর্বাত্মক লকডাউনের প্রস্ততি নিচ্ছে সরকার। দেশে যেমন বেড়েছে মৃতের সংখ্যা, তেমনই চক্রবৃদ্ধি হারে সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। নানাভাবে জনসাধারণকে সচেতন করার চেষ্টার পরও কারণে অকারণে মানুষ রাস্তায় বের হচ্ছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার তেমন নজির মিলছে না। ফলে সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক ও জেলা করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি নজরুল ইসলাম সরকার সকলের প্রতি পুনঃপুনঃ অনুরোধ জানিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার তাগিদ দিয়ে বলেছেন, নিজের এবং অন্যের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য সকলকেই দায়িত্বশীল হওয়া জরুরি। কিছু ব্যক্তির দায়িত্বজ্ঞানহীনতার কারণেই সর্বনাশ হচ্ছে।

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More