শ্রমিক-কর্মচারীদের পথে বসিয়ে কোনো মিল বন্ধ করতে দেয়া হবে না

সরকার রাষ্ট্রায়াত্ব চিনিকলসমূহ বন্ধের পরিকল্পনার প্রতিবাদে কেরুতে ফটকসভায় বক্তারা
দর্শনা অফিস: দেশের সচল ১৫টি চিনিকলের মধ্যে ১০ রাষ্ট্রায়াত্ব চিনি কারখানা বন্ধের পরিকল্পনা করছে সরকার। সরকারের এ পরিকল্পনা সফল যাতে না হয় সে লক্ষে শ্রমিক-কর্মচারীরা মাঠে নেমেছে। শ্রমিক-কর্মচারীদের পথে বসিয়ে কোনো মিল বন্ধ না করাসহ ৫ দফা দাবিতে কেরুজ চিনিকলে অনুষ্ঠিত হয়েছে ফটক সভা। গতকাল শনিবার সকাল ৯টার দিকে কেরুজ চিনিকলের ক্যান ক্যারিয়ার চত্বরে অনুষ্ঠিত ফটক সভায় কেরুজ শ্রমিক নেতারা বক্তব্যকালে বলেন, রাষ্ট্রায়াত্ব চিনিকল বন্ধ করা মানেই খেটে খাওয়া মেহনতি মানুষের পেটে লাথি মারার সামিল। এ সরকার গরিব-দঃখী মেহনতি মানুষের সরকার। তাই আ.লীগ সরকারের শাসনামলে এ ধরনের পরিকল্পনা অত্যান্ত দুঃখজনক। দেশের ১০টি রাষ্ট্রায়াত্ব চিনিকল বন্ধ হলে পরিবার-পরিজন নিয়ে পথে বসবে হাজার হাজার শ্রমিক-কর্মচারী। বেকারত্ব জীবনমানেই অভিশপ্ত জীবন। তাই সরকারের এ পরিকল্পনা পরিবর্তনের দাবিতে গোটা দেশের চিনিকল শ্রমিকদের দাঁড়াতে হবে এক কাতারে। দাবি আদায় না করে মাঠ ছাড়া যাবে না। প্রয়োজনে রক্ত দেব, তবুও আমাদের বেঁচে থাকার অবলম্বন কোনো চিনিকল বন্ধ করতে দেবো না। বাংলাদেশ চিনিকল শ্রমিক-কর্মচারী ফেডারেশন ও আখচাষি ফেডারেশনের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ ফটকসভার সভাপতিত্ব করেন কেরুজ শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি তৈয়ব আলী। সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন, বাংলাদেশ চিনিকল শ্রমিক-কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি ও কেরুজ শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন কেরুজ শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সহসভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, যুগ্মসম্পাদক খবির উদ্দিন, ইউনিয়নের সভাপতি প্রার্থী ফিরোজ আহমেদ সবুজ, সাবেক সহসভাপতি ফারুক আহমেদ, আখচাষি কল্যাণ সংস্থার সভাপতি আব্দুল হান্নান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারী, সহসভাপতি ওমর আলী, নজরুল ইসলাম, ফরিদ আহমেদ, শ্রমিক নেতা ইসমাইল হোসেন, হাফিজুল ইসলাম প্রমুখ।

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More