চুয়াডাঙ্গার শঙ্করচন্দ্রে বিল নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষ : আটক ১০

 

স্টাফ রিপোর্টার: লকডাউনের মধ্যেই চুয়াডাঙ্গার শঙ্করচন্দ্রে বিল নিয়ে বিরোধের জেরে দু’পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয়পক্ষের অন্তত ৯-১০ জন আহত হয়েছে। এদের মধ্যে দুজনকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় দুইপক্ষের পৃথক মামলায় ১০ জনকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার শঙ্করচন্দ্র ইউনিয়নের কুমড়গাড়া মাঠের বিলের ধারে এ ঘটনা ঘটে।

আটককৃতরা হলেন শঙ্করচন্দ্র গ্রামের মৃত জামাত আলীর ছেলে শফিউদ্দীন (৫৭), সাদ্দাম হোসেন (৬০), মাসুদ রহমান (৪৫), রফিক উদ্দীনের ছেলে তৌফিক (২৬), তুহিনুর রহমান (২২) এবং অপর পক্ষের সোহরাব হোসেন সরোর ছেলে আমিরুল ইসলাম (২৮), মৃত সুলতান ম-লের ছেলে মন্টু রহমান (৩৫), সন্টু (৪০), মৃত তাহাজ ম-লের ছেলে সানোয়ার হোসেন (৬৫) ও মনোয়ার হোসেন (৪৫)। তবে আটককৃত সানোয়ার ও মনোয়ার হোসেন পুলিশি প্রহরায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

পুলিশ ও এলাকাসূত্রে জানা গেছে, শঙ্করচন্দ্র গ্রামের মৃত জামাত আলীর ছেলে মাসুদের সাথে কুমড়গাড়া মাঠের বিল নিয়ে মৃত আমিরুল ইসলামের ছেলে আনোয়ার হোসেন ইংরেজের দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। এর আগেও বেশকয়েকবার তাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মামলাও রয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিলের ঘেরের বাধ কাটার অভিযোগ তুললে দুপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় উভয়পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এতে দু’পক্ষেরই অন্তত ৯-১০ জন আহত হয়। খবর পেয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। পরে আহতদের উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেয়।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ আবু জিহাদ ফকরুল আলম খান বলেন, বিলের বাধ কাটা নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে কয়েকজন আহত হয়। এ ঘটনায় দুপক্ষই মামলা দায়ের করেছে। এর মধ্যে মৃত তাহাজ উদ্দীন ম-লের ছেলে আনোয়ার হোসেন বাদি হয়ে ৯ জনের নাম উল্লেখ করে এবং লিয়াকত আলীর স্ত্রী বাদি হয়ে ১৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১৫-২০ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। উভয়পক্ষের ১০ জনকে আটক করা হয়েছে।

 

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More