জীবননগর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষিকা হানিফা খানম গোপা আর নেই

জীবননগর পাইলট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষিকা (অবসরপ্রাপ্ত) হানিফা খাতুন গোপা (৬৯) আর নেই (ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাহে রাজেউন)। তিনি গত ১১ জুন দিবাগত রাত ১১টায় ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।শূক্রবার দাফন কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।

হানিফা খাতুন গোপা ২০১১ সালে চাকরি থেকে অবসর গ্রহণের পর চুয়াডাঙ্গার কোর্টপাড়ায় স্থায়ীভাবে বসবাস করতেন। ডায়বেটিস-এ আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন যাবত ঢাকায় মেয়ের বাসায় অবস্থান করে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। সাম্প্রতিক সময়ে কিডনি বিকল জনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। অবস্থার অবণতি হওয়ায় ঈদের পরে তাঁকে ইবনে সিনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে হাসপাতালেই করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হলে কুর্মিটোলা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। মূলত কিডনি বিকলজনিত জটিলতায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুকালে তিনি স্বামী, এক ছেলে, এক মেয়ে, নাতি-নাতনি ও বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

তিনি কোর্টপাড়া নিবাসী মরহুম কায়মুদ্দিন শেখ ও মরহুমা হালিমা খাতুনের সন্তান। তিন ভাই, চার বোনের মধ্যে পঞ্চম, বোনদের মধ্যে দ্বিতীয়া। তিনি চুয়াডাঙ্গা সরকারি মহিলা কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এস. এম. ইস্রাফিল-এর মেজো বোন ও লেখক রাজিব আহমেদের ফুপু।

উল্লেখ্য, ১৯৭৪ সালে বর্তমান জীবননগর উপজেলা সদর যখন অজপাড়াগাঁ ছিল, হানিফা খাতুন গোপা তখন সেখানে মেয়েদের মাধ্যমিক বিদ্যালয় গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছিলেন- যার ফসল বর্তমান জীবননগর সরকারি বালিকা বিদ্যালয়। তিনি পাকিস্তান আমলে গার্লস গাইডের ক্যাম্পে অংশগ্রহণ করতে পাকিস্তানের লাহোরে গিয়েছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্নে চুয়াডাঙ্গায় স্থানীয়ভাবে স্বাধীনতার সপক্ষে জনমত গঠনে বিশেষ উদ্যোগী ভূমিকা পালন করেন। শুক্রবার ১২ জুন আসরের নামাজের পরে প্রশাসনের সহায়তায় চুয়াডাঙ্গার স্থানীয় জান্নাতুল মাওলা কবরস্থানে মরহুমার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More