মুজিবনগর স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীর স্বপ্নের মুজিবনগর গড়তে কাজ করে যাবো

মুজিবনগর প্রতিনিধি: মুজিবনগরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে সুজন সরকারের যোগদান করার পর প্রথম অফিসে বসে যোগদান করায় তার অনুভূতি সম্পর্কে জানতে চাইলে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রথম সরকারের শপথ ভূমি এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের তীর্থভূমি ঐতিহাসিক মুজিবনগর। আর এই রকম একটি মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত ঐতিহাসিক জায়গায় যে কোনো সরকারি কর্মচারীর কাজ করতে পারাটা একটি সৌভাগ্যের ব্যাপার। মুজিবনগরের মত জায়গায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে পদায়িত হওয়ায় নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি। আমি মনে করছি আমি এখানে আসতে পেরে নিজেও একটা ইতিহাসের অংশ হতে পেরেছি।

আপনি কেমন মুজিবনগর উপহার দিতে চান সর্বশেষ এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আপনারা যেটা বললেন যে মুজিবনগর সীমান্তবর্তী একটি উপজেলা হওয়ায় এর আগে কোনো উন্নয়নের ছোয়া লাগেনি। বর্তমানে মেহেরপুরের গৌরব মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ফরহাদ হোসেন এমপি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পরে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগতে শুরু করে এবং পরে প্রতিমন্ত্রী হওয়ার পর তিনি স্বপ্নের মুজিবনগর গড়তে কাজ করে যাচ্ছে। সেহেতু সেই উন্নয়ন প্রকল্প এগিয়ে নেয়ার জন্য জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীর দিকনির্দেশনা, পরিকল্পনা অনুযায়ী দৃষ্টিনন্দন ও স্বপ্নের মুজিবনগর গড়তে কাজ করে যাব।

মুজিবনগর উপজেলার সকল দপ্তরিক যে কাজকর্মগুলো থাকে সেগুলো আমার ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে শতভাগ দেয়ার চেষ্টা করবো। করোনা ভাইরাস সারাবাংলাদেশসহ মেহেরপুরেও মহামারী আকারে ধারণ করেছে। ইতোমধ্যে গত ১০ দিনে মেহেরপুর জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখা প্রায় শতক ছাড়িয়েছে। মুজিবনগরেও আক্রান্তের সংখা কম না। সেক্ষেত্রে করোনা প্রতিরোধে নতুন করে কোনো ভূমিকা রাখবেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আপনারা অবশ্যই অবগত আছেন যে করোনা প্রতিরোধে মুজিবনগরে বিভিন্ন কার্যক্রমে ইতোমধ্যে অনুকরনীয় একটি উপজেলা। বক্স সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট হাট ব্যাবস্থাপনা, সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতকরনে আমার পূর্বের উপজেলা নির্বাহী অফিসার যে উদ্যেগ নিয়েছিলেন তা সারা বাংলাদেশে বাস্তবায়িত হচ্ছে। আর যারা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছে তারা যেনো নিজেকে অসহায় মনে না করে সেক্ষেত্রে সর্বক্ষাণিক আমরা তাদের পাশে থাকবো।

দুর্নীতির বিষয়ে তিনি কেমন ভূমিকা রাখবেন সেই বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, সমগ্র বাংলাদেশেই এখন দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স সরকার গ্রহণ করেছে। তারই অংশীদার হিসেবে মুজিবনগরে যে কাজটি হয়েছে সেটার ধারাবাহিকতা আমি রক্ষা করতে পারবো এই বিশ্বাস আমি রাখি। আমার কাছে যে কোনো সময় যেকোন মানুষ আসতে পারবে সেই সুযোগটুকু থাকবে। আর মানুষের সকল কথা শোনার সেই ধ্যৈর্য আমি আশা করি রাখতে পারবো, তাদের পাশে থাকতে পারবো। যোগদানের পর প্রথম দিন অফিসে বসেই তিনি বৃহস্পতিবার সকালে মুজিবনগর সৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধে সকল শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More