গাংনীর ভেন্ডার নুর ইসলামের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ

বৃহত্তর আন্দোলনের মাধ্যমে নুর ইসলামের অবৈধ কর্মকণ্ড প্রতিহত করার সিদ্ধান্ত 
গাংনী প্রতিনিধি: মেহেরপুর গাংনীর জুগিন্দা গ্রামের স্ট্যাম্প ভেন্ডার নুর ইসলামের বিরুদ্ধে স্ট্যাম্প জালিয়াতিসহ নানা অভিযোগে তার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন ইউনিট নেতৃবৃন্দ এ প্রতিবাদী কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে। গাংনী শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদের ভেতরে সাব রেজিস্ট্রি অফিসে প্রতিবাদী এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
এতে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও গাংনী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এমএ খালেক, সাবেক পৌর মেয়র আহম্মেদ্দ আলী, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনারুল ইসলাম বাবু, উপজেলা যুবলীগ সভাপতি মোশাররফ হোসেন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা ইয়াসমিন, উপজেলা ছাত্রলীগ সাবেক সভাপতি তোহিদুল ইসলাম, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সাহিদুজ্জামান সিপু, পৌর ছাত্রলীগ সভাপতি ইমরান হাবীব ও আওয়ামী লীগ নেতা জাকির হোসেনসহ নেতৃবৃন্দ।
বক্ততায় নুর ইসলামের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ ও প্রতিবাদ সমাবেশের যৌক্তিকতা তুলে ধরে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমএ খালেক বলেন, নুর ইসলামের মতো দুর্নীতিবাজরা অনেক সময় গোয়েন্দাদের নজরের বাইরে থাকে। তাই কোনো কোনো সময় এ রকম স্বোচ্চার হতে হয়। এর প্রতিকারও হবে।
নুর ইসলাম বিএনপি-জামায়াতের নেতা উল্লেখ করে তিনি বলেন, নুর ইসলামকে আমি যতোটুকু চিনি ২০০১ সালে জোট সরকারের সময়ে যখন সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম হয়েছিলো তখন নুর ইসলাম এই এলাকায় (সাব রেজিস্ট্রি অফিস এলাকায়) ত্রাস কায়েম করেছিলো। সাব রেজিস্ট্রি অফিসে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের কাছে চাঁদাবাজি করাই ছিলো তার কাজ।
নুর ইসলামের নেতৃত্বে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি রুহুল আমিনকে হাতুড়িপেটা করা হয়েছিলো উল্লেখ করে এমএ খালেক বলেন, রুহুল আমিনের শরীরে ১৫৩টি সেলাই দিতে হয়েছিলো। তিনি ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে মাসের পর মাস মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়েছিলেন। এরকম বহু নেতাকর্মীর ওপর হামলা ও মিথ্যা মামলায় হয়রানি করেছিলো নুর ইসলামসহ তার সাঙ্গপাঙ্গরা। ওই সময় বিভিন্ন অপকর্মের মাধ্যমে নুর ইসলাম জিরো থেকে কোটিপতি বনে যায়।
নুর ইসলামের সম্পদের বর্ণনা দিয়ে জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এমএ খালেক বলেন, তার দৃশ্যমান কোনো আয় নেই। এলাকার মানুষ সকলেই জানে সে দুর্নীতি করে সম্পদ অর্জন করেছে। সাব রেজিস্ট্রি অফিসের মহুরার লাইসেন্সও অবৈধভাবে নেয় নুর ইসলাম। তার বিরুদ্ধে রয়েছে জাল স্ট্যাম্প তৈরির অভিযোগ। তাই অনবিলম্বে নুর ইসলামের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তিনি।
দুপুরে গাংনী বাসস্ট্যান্ড থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। নুর ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে সেøাগানে সেøাগানে মিছিলটি উপজেলা পরিষদ চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে প্রতিবাদী সমাবেশে নানা অভিযোগ উত্থাপন করেন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More