হামলাকারী হেলালকে গাংনী বাজারে নিষিদ্ধের দাবি

গাংনী প্রতিনিধি: মেহেরপুরের গাংনী বাজার কমিটির সাবেক সভাপতি হাফিজুর রহমান মানিকসহ তিনজনের ওপর নৃশংস হামলাকারী বস্ত্র ব্যবসায়ী হেলালকে গাংনী বাজার থেকে বিতাড়িত করার দাবি করেছে ব্যবসায়ীরা। একইসাথে হেলাল ও তার ভাই বেলালসহ হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার পূর্বক দৃষ্টান্তমূলক সাজা দাবি করা হয়।
বর্বরোচিত এ হামলা কা-ের পর থেকেই হেলালের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উত্থাপন করে আসছিলো ব্যবসায়ীর। রোববার সকালে বাজারে আয়োজিত মানববন্ধন থেকে এ দাবি আরও জোরালো হয়। প্রতিবাদের অংশ হিসেবে ঘটনাস্থল এসএম প্লাজার দোকানপাট এখনও বন্ধ রেখেছেন ব্যবসায়ীরা।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, প্রকাশ্য দিবালোকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংস হামলা গাংনী বাজারের ইতিহাসে কালিমা লেপন করেছে। হামলাকারী বস্ত্র ব্যবসায়ী ও তার ভাই পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ধারালো অস্ত্র তার দোকানে রেখেছিল। এই জঘন্য হামলাকারীরা আর যাই হোক তাদেরকে ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচয় করানো সম্ভব না। তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী হিসেবে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। একইসাথে দ্রুত তাদেরকে গাংনী বাজার থেকে বিতাড়িত করা হোক। হেলাল ও তার পরিবারের লোকজন যাতে গাংনী বাজারে ব্যবসা করতে না পারে সেজন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। কেননা এ তাদের কাছে গাংনী বাজারের কেউ যে নিরাপদ নয়।
এদিকে হামলাকারী সাথী বস্ত্রালয়ের মালিক হেলাল বাজার কমিটির সদস্য এবং বস্ত্র ব্যবসায়ী সমিতির সদস্য। হামলার প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে বস্ত্র ব্যবসায়ী সমিতি থেকে তাকে বহিষ্কারের ঘোষণা দেয় বস্ত্র ব্যবসায়ী সমিতি নেতৃবৃন্দ। মানব বন্ধনে বক্তব্য রাখেন গাংনী বাজারের ব্যবসায়ী ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এমএ খালেক, পৌর মেয়র আহম্মেদ আলী, বাজার কমিটি সভাপতি মাহবুবুর রহমান স্বপন, সাধারণ সম্পাদক বজলুর রহমান বুলু, বস্ত্র সমিতি সভাপতি হাফিজুর রহমান ও বস্ত্র ব্যবসায়ী এনাম। শনিবার দুপুরে গাংনী বাজারের নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে হাফিজুর রহমান মানিক ও তার ছেলে এবং আরেক ব্যবসায়ীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায় বস্ত্র ব্যবসায়ী হেলাল ও তার ভাই বেলাল। আহত তিনজন হাসপাতালে ভর্তি আছেন। হাফিজুর রহমান মানিক ও তার ছেলে এখনও শঙ্কামুক্ত নন বলে জানিয়েছে চিকিৎসকরা।

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More