করোনায় আরও শনাক্ত ২১৮৭ : ১৬ জনের মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টার: দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়তে থাকায় দৈনিক শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ফের দুই হাজার ছাড়িয়েছে। শনাক্তের হার পেরিয়ে গেছে ১০ শতাংশ। ২৪ ঘণ্টায় দেশে ২১৮৭ জনের মধ্যে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে। যা গত একশ দিনের মধ্যে সর্বোচ্চ। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম মৃত্যুর এক বছর হল ১৮ মার্চ। এক বছর পর দেশে মৃতের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৬২৪। সর্বশেষ ৮ ডিসেম্বর একদিনে ২২০২ জনের মধ্যে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছিলো। এ নিয়ে করোনা শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫ লাখ ৬৪ হাজার ৯৩৯ জন। দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে গত একদিনে আরও ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ১৫৩৪ জন রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন গত একদিনে। তাতে এ পর্যন্ত সুস্থ রোগীর মোট সংখ্যা বেড়ে ৫ লাখ ১৭ হাজার ৫২৩ হয়েছে। বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশের সরকারি-বেসরকারি ২১৯টি ল্যাবে ২০ হাজার ৯২৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ৪৩ লাখ ৪৯ হাজার ১৯৪টি নমুনা। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৩৩ লাখ ১৯ হাজার ৮৭২টি এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হয়েছে ১০ লাখ ২৯ হাজার ৩২২টি। ২৪ ঘণ্টায় পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ছিলো ১০ দশমিক ৪৫ শতাংশ। দৈনিক শনাক্তের হার সর্বশেষ এর চেয়ে বেশি ছিলো গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর। সেদিন পরীক্ষার তুলনায় রোগী শনাক্তের হার ছিলো ১০ দশমিক ৫৩ শতাংশ। এরপর কমতে কমতে তা ৩ শতাংশের নিচেও নেমেছিলো। তবে মার্চের শুরু থেকে সংক্রমণ বাড়তে থাকায় শনাক্তের হারও বাড়ছে। এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১২ দশমিক ৯৯ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯১ দশমিক ৬১ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৫৩ শতাংশ।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত একদিনে যারা মারা গেছেন, তাদের মধ্যে ১২জন পুরুষ আর নারী চারজন। তাদের প্রত্যেকেই হাসপাতালে মারা গেছেন। এদের মধ্যে ১২ জনেরই বয়স ছিলো ৬০ বছরের বেশি। এছাড়া একজনের বয়স ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে এবং তিনজনের বয়স ছিলো ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে। মৃতদের মধ্যে ১৩ জন ঢাকা বিভাগের, একজন চট্টগ্রাম বিভাগের, একজন খুলনা বিভাগের, একজন রাজশাহী বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন। দেশে এ পর্যন্ত মারা যাওয়া ৮ হাজার ৬২৪ জনের মধ্যে ৬ হাজার ৫২১ জনই পুরুষ এবং ২ হাজার ১০৩ জন নারী।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, এক বছরে কোভিড-১৯ সেবা বাড়লেও সামগ্রিক চিকিৎসা ব্যবস্থার কাঠামোগত উন্নয়ন খুব একটা হয়নি। এটা ঠিক যে এখন ২০ হাজারের ওপর টেস্ট হচ্ছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো এখন রোগীর সংখ্যাও কম কিন্তু এটি যদি কোনো কারণে বেড়ে দ্বিগুণ বা তিনগুণ হয় তাহলে তা সামাল দেয়া কঠিন হয়ে দাঁড়াবে।

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More