যশোরে তিন প্রাইভেটকারে মিললো ১৬ কেজি সোনা

যশোর প্রতিনিধি: যশোরে ১৩ কোটি টাকা মূল্যের আরও একটি বড় সোনার চালান জব্দ করেছে বিজিবি। গতকাল বুধবার ভোরে যশোর-মাগুরা সড়কের বাহাদুরপুর এলাকায় তিনটি প্রাইভেটকারে তল্লাশি চালিয়ে ১৫ কেজি ৮শ’ গ্রাম ওজনের এ ১৩৫টি সোনার বার উদ্ধার করা হয়েছে। এসময় ছয়জনকে আটক করা হয়েছে। আটকরা হলেন বেনাপোলের দুর্গাপুর গ্রামের আব্দুল জব্বারের ছেলে জাহিদুল ইসলাম (৩০), পুটখালী গ্রামের আতিয়ার রহমানের ছেলে নাজমুল হোসেন (২৫), চাঁদপুর জেলার ঘাগড়া গ্রামের আরিফ মিয়াজী (৩৬), কুমিল্লা দাউদকান্দি উপজেলার নৈয়ার গ্রামের সিরাজুল ব্যাপারীর ছেলে শাহজালাল (৩২), মাদারীপুর জেলার বলশা গ্রামের কামাল হোসেনের ছেলে আবু হায়াত জনি (২৮) ও নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ উপজেলার অতিউল্লাহ বেপারীর ছেলে রবিউল ইসলাম রাব্বি (২৯)। সোনার বারগুলো বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচারের জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিলো। এর আগে গত ২০ মে সকালে বিজিবি যশোরের চৌগাছা সীমান্ত থেকে ১৪ কেজি ৪৫০ গ্রাম ওজনের ১২৪টি সোনার বারসহ শাহআলম নামে একজনকে আটক করেছিলো। উদ্ধারকৃত ওই সোনার দাম ছিলো ১০ কোটি ১১ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

গতকাল বুধবার বিকেলে যশোর ব্যাটালিয়নের (৪৯ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল শাহেদ মিনহাজ ছিদ্দিকী জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যশোর ৪৯ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের সদস্যরা জানতে পারে ঢাকা থেকে তিনটি প্রাইভেটকালে যশোরের বেনাপোল দিয়ে সোনা পাচার হচ্ছে। তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবির সদস্যরা ও জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ একটি চৌকস দল শহরের বাহাদুরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে ফাঁদ পাতে। ভোর ৪টার দিকে তিনটি প্রাইভেটকার তল্লাশি করে গোপন বাক্স বসিয়ে অভিনব কায়দায় রাখা ১৬ কেজি সোরার বার উদ্ধার করা হয়। যার বাজার মূল্যে ১৩ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা। এ সময় ৬ জনকে আটক করা হয়।

তিনি জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা জানিয়েছেন, সোনার বারগুলো ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে যশোর সীমান্ত নিয়ে যাওয়া হচ্ছিলো। এটি পার করে ইউএস ডলার নিয়ে ঢাকায় ফেরত যাওয়ার কথা ছিলো তাদের। এই অঞ্চল দিয়ে পাচারকালে উদ্ধারকৃত এটিই বড় সোনার চালান বলে দাবি করেছেন তিনি।

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More