হেফাজত নেতা মামুনুল হক গ্রেফতার 

হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হককে করা হয়েছে।   ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগ রোববার গ্রেফতার করে।  মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছেন তেজগাঁওয়ের উপ পুলিশ কমিশনার।রোববার বেলা একটার দিকে তাঁকে মাদ্রাসা থেকে  গ্রেফতার করার পর তাকে তেজগাঁওয়ের উপ পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ে রাখা হয়েছে।মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ২০১৩ সালের একটি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে বলে জানান ডিএমপি কমিশনার।

কয়েকদিন ধরে চেষ্টা চালাচ্ছিল আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। অবশেষে রোববার দুপুরে হেফাজতের এই নেতাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফর নিয়ে সাম্প্রতিক সহিংসতা ও রিসোর্টকাণ্ডে রাজধানীর পল্টন থানা ও নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানায় দুটি মামলা হয়েছে মামুনুল হকের বিরুদ্ধে। এ ছাড়া, ২০১৩ সালের শাপলা চত্বর তাণ্ডবের ঘটনাতেও তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা আছে।

গ্রেফতারের পর

জানা গেছে, গত ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানাধীন রয়েল রিসোর্টে নারীসঙ্গীসহ স্থানীয় লোকজনের হাতে আটক হওয়ার পর ছাড়া পেয়ে রাতেই ঢাকায় চলে আসেন তিনি। ঢাকার মোহাম্মদপুরের কাদিরাবাদ হাউজিংয়ের নিজ বাসায় না গিয়ে তিনি পাশেই জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদরাসায় যান। সেখানেই অবস্থান করছিলেন।
মাদরাসায় নজর রাখছিল আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। কেননা এই মাদরাসার একটি কক্ষে বসেই ফেসবুকে লাইভ করছিলেন হেফাজতের এই নেতা। তবে সর্বশেষ লাইভে এসে দ্বিতীয় বিয়ের দাবির স্বপক্ষে স্ত্রীর কাছে সত্য গোপন করার অবকাশ রয়েছে এমন বক্তব্য দিয়ে নিজ দলের আলেম-ওলামাদের কাছে সমালোচনার শিকার হন তিনি। পরে চাপের মুখে সেই ভিডিও নিজের ফেসবুক আইডি থেকে ডিলিটও করে দেন।
মাদরাসা থেকে বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাকে গ্রেফতার করতে পারে- এ কারণে পাশেই নিজের বাসা হলেও তিনি সেখানে যাচ্ছিলেন না। তক্কে তক্কে থাকা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মামুনুলের অবস্থান নিশ্চিতের পর রোববার তাকে ওই মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া থেকেই গ্রেফতার করে।

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More