চুয়াডাঙ্গায় টিটিসি কোয়ারেন্টিন সেন্টারে নিম্নমানের বাসি পচা খাবার সরবরাহ : হোটেল মেহমান সিলগালা 

 

স্টাফ রিপোর্টারচুয়াডাঙ্গা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (টিটিসি) কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে মানহীন খাবার সরবরাহের অভিযোগে হোটেল মেহমান সিলগালা করেছে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

গতকাল বৃহস্পতিবার সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে একটি প্রতিবেদন সংবাদ প্রকাশ করা হয় দৈনিক মাথাভাঙ্গায়।  পরে বেলা ১১টার দিকে শহরের টাউন ফুটবল মাঠস্থ হোটেল মেহমানে অভিযান চালায় জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত।  অভিযোগের সত্যতা মেলায় হোটেলটি সিলগালা করে জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক হাবিবুর রহমান।  এসময় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেয়া হয় হোটেলের কার্যক্রম।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ মে থেকে চুয়াডাঙ্গার দর্শনাসহ দেশের ৩টি স্থলসীমান্ত ও চেকপোস্ট দিয়ে দেশে ফিরতে শুরু করেন বাংলাদেশীরা। তবে শর্ত মোতাবেক দেশে ফেরা সবাইকে বিশেষ কোয়ারেন্টিনে থাকতে হচ্ছে ১৪ দিন। সেই অনুযায়ী চুয়াডাঙ্গার দর্শনা সীমান্ত দিয়ে দেশে ফেরা প্রায় সাতশো মানুষ অবস্থান করছেন চুয়াডাঙ্গার চারটি সরকারি ভবন ও কয়েকটি আবাসিক হোটেলের অস্থায়ী কোয়ারেন্টিন সেন্টারে। এরমধ্যে কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে রয়েছেন ১১৪ জন।  এদের তিনবেলা খাবারের যোগান হচ্ছে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসন কর্তৃক নির্ধারিত তিনটি রেস্তরাঁ থেকে।  সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী থাকা খাওয়ার সব খরচ বহন করতে হচ্ছেন যাত্রীদের নিজেদেরকেই।  গেল বুধবার রাতে নিম্নমানের খাবার সরবরাহ নিয়ে অভিযোগ করেন চুয়াডাঙ্গা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে কোয়ারেন্টিনে থাকা ভারত ফেরত বাংলাদেশীরা। পরে গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে অভিযান চালিয়ে নিম্নমানের খাবার সরবরাহকারী হোটেল মেহমান সিলগালা করে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। জেলা প্রশাসনের সহকারি কমিশনার ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক হাবিবুর রহমান ওই অভিযান পরিচালনা করেন।

উল্লেখ্য, গেল বুধবার রাতে নিম্নমানের খাবার সরবরাহের অভিযোগে বিক্ষোভ করেন চুয়াডাঙ্গা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে কোয়ারেন্টিনে থাকা ভারত ফেরত বাংলাদেশীরা।  পরদিন বৃহস্পতিবার সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করে দৈনিক মাথাভাঙ্গা।

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More