বিশ্বে তথ্য-প্রযুক্তিতে অনন্য বিপ্লব রচনা করেছে ডিজিটাল বাংলাদেশ

চুয়াডাঙ্গায় দুই দিনব্যাপী ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলার উদ্বোধনকালে সংসদ সদস্য আলী আজগার টগর

স্টাফ রিপোর্টার: ‘উদ্ভাবনী জয়োল্লাসে স্মার্ট বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্যে চুয়াডাঙ্গায় দুই দিনব্যাপী ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে গতকাল বুধবার সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়। পরে ডিসি সাহিত্য মঞ্চে আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম খান। প্রধান অতিথি ছিলেন চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলী আজগার টগর। বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আরাফাত রহমান, সিভিল সার্জন ডা. সাজ্জাৎ হাসান, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক সাবেক পৌর মেয়র রিয়াজুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার টোটন ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুন্সি আলমগীর হান্নান। চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মুন্সী আবু সাঈফের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আরাফাত রহমান। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি সরদার আল আমিন, চুয়াডাঙ্গা পৌর ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আবু রাসেদ, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দার উপ-পরিচালক জিএম জামিল সিদ্দিক, জেলা নির্বাচন অফিসার তারেক আহমেমদ, জেলা তথ্য অফিসার আমিনুল ইসলাম, সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসার কামরুল হাসান, জেলা যুব মহিলা লীগের সভাপতি আফরোজা পারভীনসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দফতরের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

সভায় চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজগার টগর বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ডিজিটাল হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ যখন ডিজিটাল বাংলাদেশের ইশতেহার ঘোষণা করে; তখন অনেকেই বিষয়টি নিয়ে উপহাস করেছে বলেছে, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ একটি আষাঢ়ে গল্প। তথাকথিত কিছু বুদ্ধিজীবী, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলসহ বেশ কিছু সংস্থা এই রূপকল্পের সমালোচনা করে বলেছিলো আওয়ামী লীগ দিবাস্বপ্ন দেখছে এবং দেখাচ্ছে। কিন্তু তাদের সবার যুক্তি ও ধারণাকে ভুল প্রমাণ করে তথ্য-প্রযুক্তিতে বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশ আজ অনন্য বিপ্লব রচনা করেছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা এখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যুগে বসবাস করছি। প্রত্যেকের হাতে এখন অ্যানড্রয়েড মোবাইল। মানুষের চিন্তা-ভাবনা ও চাহিদার ধরনে ব্যাপক পরিবর্তন এনেছে ডিজিটাল কমিউনিকেশন। আমাদের বহুল ব্যবহৃত একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হলো ফেসবুক। দেশে এখন ফেসবুকভিত্তিক বিভিন্ন ব্যবসা গড়ে উঠেছে। ডিজিটাল মার্কেটিং ব্যবস্থায় ঘরে বসে নিজের ইচ্ছেমতো খুব সহজে জিনিসপত্র কেনাবেচা করা যায়। ডিজিটাল মার্কেটিং ব্যবস্থা দেশের অর্থনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

মেলায় সরকারি ও বেসরকারি দফতরের ৪২টি স্টল স্থান পেয়েছে। আলোচনাসভার আগে স্টল পরিদর্শন করেন অতিথিবৃন্দ। পরে একই মঞ্চে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন জেলা শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীরা। আজ বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে মেলার সমাপনী।

এছাড়া, আরও পড়ুনঃ

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More